ফের বিতর্কে জড়ালেন সলমন খান। ‘কালা হিরণ’ ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলার ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত, এমনটাই গুঞ্জন ওঠে। এই নিয়েই এবার ছবির নির্মাতাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন সলমন খান। অভিনেতার পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ছবির প্রচার ও উপস্থাপনা তাঁর ‘পার্সোনালিটি রাইটস’-লঙ্ঘন করছে। সম্প্রতি ভারত শ্রীনাতে পরিচালিত এবং অমিত জানি প্রযোজিত এই ছবির একটি পোস্টার প্রকাশ্যে আসে। সেখানে যে ব্যক্তিকে বন্দুক হাতে দেখা যায়, তাঁর হাতে থাকা বিশেষ ধরনের ব্রেসলেট সলমন খানের হাতের ব্রেসলেটের মতোই, যা নিয়ে তোলপাড় নেটদুনিয়া। পোস্টারে ২০ জুন টিজার মুক্তির ঘোষণা ছিল। নির্মাতারা যদিও এই নিয়ে দাবি করেছেন, ছবিটি বাস্তব জীবনের বেশ কিছু আইনি লড়াই থেকে অনুপ্রাণিত।

সলমন খানের আইনি টিম অভিযোগ করে ছবির প্রচার এমনভাবে করা হচ্ছে যাতে দর্শকরা অভিনেতার সঙ্গে থাকা মিল সহজেই খুঁজে পায়। এমতাবস্থায় পোস্টার, কনটেন্ট অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। এরপরেই প্রযোজক অমিত জানি সামাজিক মাধ্যমে অভিযোগ করেছেন, “স্টারডম এবং প্রভাব খাটিয়ে ‘কালা হিরণ’-এর সঙ্গে যুক্ত মানুষদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।”

প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিং চলাকালীন সলমন খানের বিরুদ্ধে রাজস্থানের যোধপুরে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগ ওঠে। বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি লড়াই শুরু হয়। আদালতে হাজিরা, গ্রেফতারি এবং জামিনের পরও মামলাটি বহু বছর ধরে আলোচনার শীর্ষে ছিল। এমনকি পরেও আদালতে মামলার শুনানি নিজের গতিতে চলতে থাকে। শুধু তাই নয়, বহু বছর সলমন খানকে নানা বিতর্ক এবং হুমকির মুখোমুখি হতে হয়েছে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ২০২৪ সালে তাঁর মুম্বইয়ের বাড়ির বাইরে গুলি চলার ঘটনাও ঘটে। কিন্তু ‘কালা হিরণ’ বিতর্ক কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় এবং আদালত কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে সেই দিকেই নজর এখন অনুরাগীদের।

আরও পড়ুন- ফর্ম জমার আগেই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা! কারা পেলেন সুবিধা? তালিকা নিয়ে কাঠগড়ায় বিজেপি

_

_

_

_
_
_
_
