মার্কিন চাপে ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য ২০২৫ সাল থেকে ব্যাপকভাবে ধাক্কা খাওয়ার পর ভারতে উৎপাদিত কৃষিজ দ্রব্যই অর্থনীতির জন্য সুরাহা নিয়ে আসছিল। এবার একের পর এক এশিয়ার দেশে ভারতের কৃষিজ সামগ্রীর উপর কোপ। জাপান ও নেপালে ভারতের আম রফতানিতে (mango export) নিষেধাজ্ঞার পর এবার চিনে (China) নিষিদ্ধ হল ভারতের লাল লঙ্কা (red chilli) ও লঙ্কার গুঁড়ো।

সম্প্রতি চিনে ভারতে উৎপাদিত সামগ্রীর ব্যাপক যাচাই ও পরীক্ষা হয়েছে। সেই সূত্রে বাসমতি ছাড়া সিদ্ধ চালের বেশ কয়েকটি বৈচিত্রকে নিষিদ্ধ করেছে চিন। সেই মতো ভারতের একাধিক চাল রফতানি (rice export) সংস্থাকে বরাত দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। চালের পরে এবার লঙ্কার পালা।

চিনের গবেষকদের দাবি, ভারতে উৎপাদিত লাল লঙ্কায় অতিরিক্ত মাত্রায় মেটামাইডোফোস (methamidophos) রয়েছে। এর ফলে প্রভাবিত হয় স্নায়ুতন্ত্র (nervous system)। এই কারণ দেখিয়ে ভারত থেকে রফতানি (export) হওয়া তিনটি কার্গো জাহাজ সরাসরি ভারতে ফেরৎ পাঠিয়ে দিয়েছে চিন (China)। বিশ্বের এক নম্বর লাল লঙ্কা রফতানি করে ভারত। সেই সঙ্গে ভারত থেকে রফতানি হওয়া সবথেকে বেশি লাল লঙ্কা (red chilli) যায় চিনে (China)। এই পরিস্থিতিতে এই জাহাজ ফেরৎ পাঠিয়ে দেওয়া দেশের অর্থনীতির উপর বড় চাপ।

আরও পড়ুন :

ভারত থেকে রফতানি হওয়া লঙ্কার এক তৃতীয়াংশ যায় চিনে। মূলত তেজা প্রজাতির লঙ্কায় আপত্তি জানিয়েছে চিন। যদিও খুব জোরালো কারণ আন্তর্দেশীয় সম্পর্কের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়নি আদৌ। দক্ষিণ ভারতের কৃষ্ণ মৃত্তিকা অঞ্চলের একটা বড় অংশে শীতে এই লাল লঙ্কার (red chilli) ব্যাপক চাষ হয়। চিনে (China) রফতানি (export) বন্ধ হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই সমস্যায় বড় অংশের চাষি। সেখানেই রাজনীতিকদের প্রশ্ন, একদিকে যখন আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কে মেরামতি করে ভারতের বাণিজ্যের হাল ফেরাতে পারেননি নরেন্দ্র মোদি। সেই সময়েই একের পর এক এশীয় দেশের সঙ্গেও সম্পর্কে এতটাই তলানিতে যে এবার সরাসরি কোপ পড়তে চলেছে কৃষকদের রোজগারে।

–

–

–
–
–
