লোকসভার ১৯ তৃণমূল সাংসদ এনডিএ-কে সমর্থন জানানোর দাবি করে সোমবার চিঠি দিয়েছেন। তারপরে সেই তালিকায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করে দিল্লি পৌঁছেছেন কলকাতা উত্তরের সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে বিক্ষুব্ধ বলে নিজেদের দাবি করা সাংসদদের একত্রিত করার কাজ চালানো কাকলি ঘোষ দস্তিদার কী আদৌ ‘রেবেল’দের (rebel MPs) নেতৃত্ব থাকবেন? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সুদীপের (Sudip Bandyopadhyay) যোগদানের পরে। সোমবার নতুন করে স্পিকারের (Speaker Om Birla) সঙ্গে কথা বলার কথা তৃণমূল সাংসদদের (TMC MPs) এই শ্রেণির। তার আগে রবিবার সকাল থেকে একে একে দিল্লি রওনা দিলেন তৃণমূল সাংসদরা। বিকালে ভূপেন্দ্র যাদবের (Bhupender Yadav) সঙ্গেও তাঁদের দেখা করার কথা।

ইতিমধ্যেই ১৯ তৃণমূল লোকসভা সাংসদের নাম প্রকাশ্যে এসেছে যাঁরা স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন এনডিএ-কে সমর্থন করার বিষয়ে। তার মধ্যে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সায়নী ঘোষের নাম যদিও তালিকা থেকে আলাদাভাবে পরে পড়ার কথা জানা গিয়েছে সূত্র মারফৎ। তবে রবিবার নতুন করে সেই পক্ষে ঝুঁকেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। খোদ অমিত শাহর সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন এনডিএ-কে (NDA) সমর্থনের বিষয়ে। আগেই রবিবার এই সাংসদদের দিল্লিতে বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা ছিল, নিজেদের পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করার জন্য। শতাব্দী রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা দিল্লিতেই রয়েছেন।

আরও পড়ুন : সুদীপ আসাতেই কপাল পুড়ল কাকলির, দুজনের লড়াই প্রকাশ্যে

রবিবার কলকাতা বিমানবন্দর থেকে দিল্লি রওনা দিতে দেখা গেল কাকলি ঘোষ দস্তিদার, জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, মালা রায়, জুন মালিয়া, শর্মিলা সরকার, দেব, সায়নী ঘোষকে। কেউই কলকাতায় কোনও বক্তব্য রাখতে চাননি। বাকি স্বাক্ষর করা সাংসদরা কোথায় তা নিয়ে যেমন প্রশ্ন উঠেছে, তেমনই প্রশ্ন উঠেছে রবিবারের বৈঠকে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Sudip Bandyopadhyay) কতটা স্বাগত জানাতে পারবেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar)। ১৯ সাংসদের প্রথম বৈঠকে খোদ অমিত শাহর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ রাখা ও ছবি পাঠানোর মতো দায়িত্ব তাঁর কাঁধে ছিল। কিন্তু বর্ষীয়ান সুদীপ তাঁদের পক্ষে গেলে তাঁর সঙ্গে বিজেপির পূর্ব যোগাযোগের ভিত্তিতে তাঁকেই কী ‘রেবেল’দের নেতা করে দেওয়া হবে? আর তা হলে, তা কী মেনে নেবেন কাকলি? বোঝা যাবে রবিবারের বৈঠকে।

–

–

–

–
–
–
–
