তাহলে কি কপাল পুড়ল কাকলি ঘোষ দস্তিদারের? তৃণমূলের বিদ্রোহী ব্লকের নেতার পদ কি হারাতে চলেছেন তিনি? কারণ, বিদ্রোহীদের মঞ্চে কুশীলব হিসেবে ইতিমধ্যে প্রবেশ করেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sudip Bandyopadhyay)। বিদ্রোহী বেঞ্চে তাঁর বসার অপেক্ষা। সুদীপের সঙ্গে বিজেপি লবির ঘনিষ্টতা অনেক দিনের। দলের অন্দরে গুরুত্ব পেতে মাঝে মধ্যেই সেই সম্পর্ককে কাজে লাগাতেন। কিন্তু এবার শিবির পরিবর্তন করার উপঢৌকন হিসাবে বিজেপির ভূপেন্দ্র যাদবের (Bhupender Yadav) কাছে বৃদ্ধ সাংসদ দলনেতার দাবি জানিয়েছেন বলেই বিজেপি শিবিরে খবর। বিজেপি শিবির থেকেও তা অস্বীকার করা হচ্ছে না।

তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের এককাট্টা করার পিছনে ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar)। সাংসদদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা খুব একটা নেই। ব্যবহার নিয়ে সকলেরই অভিযোগ রয়েছে। ফলে বিদ্রোহীদের নেতা কে হবেন, সে নিয়ে প্রশ্ন ছিল। সুদীপ স্ত্রী নয়নাকে (Nayana Bandyopadhyay) নিয়ে বিদ্রোহী শিবিরে চলে যাওয়ার কারণে সে সমস্যা অনেকটাই কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

নেতার পদ যেতে পারে বুঝে কাকলি লবিও স্পষ্ট জানিয়েছে, অসুস্থ সুদীপ। তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা থাকার সময়েই অর্ধেক দিন আসতে পারতেন না। দলের বৈঠকেও কালেভদ্রে আসতেন। তাঁকে বিদ্রোহীদের দলনেতা করা মানে ভষ্মে ঘি ঢালা। এতদিন ধরে তৃণমূল সাংসদদের এক ছাদের তলায় আনতে পরিশ্রম করেছেন কাকলি (Kakoli Ghosh Dastidar)। এখন সেই ক্ষীর বিনা পরিশ্রমে খেয়ে যাবেন সুদীপ? ফলে তীব্র লড়াই শুরু। ফাঁপড়ে বিজেপি নেতারাই। আবার দলনেতা না হলে সুদীপ কতখানি সহযোগিতা করবেন, তা নিয়েও সন্দেহ। বিদ্রোহী সাংসদদের একজন নাম প্রকাশ করতে না চেয়ে বলেছেন, সুদীপদার না এসে উপায় নেই। যেভাবে উনি ফেঁসে রয়েছেন!

আরও পড়ুন : সুরেন্দ্রনাথের উই-এ খাওয়া টাকা বেরোতেই দলবদল! বেসুরো সুদীপের রহস্য ফাঁস কুণালের

ফলে বিদ্রোহী দলে ‘সুদীপ ইন’ হওয়ার কারণে কাকলি তাঁর সব সব অস্ত্রে শান দিতে শুরু করেছেন। সুদীপ-কাকলির লড়াইয়ে কে জেতেন, সেটাই দেখার।

–

–

–
–
–
