অষ্টাদশ বিধানসভার (Legislative Assembly) প্রথম অধিবেশন শুরু হতেই সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা (Press Freedom) নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে! বহুদিনের সংসদীয় প্রথা ভেঙে এবার প্রেস গ্যালারিতে (Press Gallery) সিংহভাগ সংবাদমাধ্যমের ঢোকা কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিধানসভা সূত্রে প্রকাশিত তালিকা ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। হাতে গোনা কয়েকটি সংবাদপত্রের সীমিত সংখ্যক প্রতিনিধিকে মোবাইল ফোন ছাড়া প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তালিকা থেকে বাদ পড়েছে তৃণমূলের মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’। বাদ পড়েছে উর্দু দৈনিক ‘আখবার-এ-মাশরিক’-ও, যার সম্পাদক রাজ্যসভার সাংসদ তথা তৃণমূল নেতা। প্রশ্ন উঠছে, সংবাদপত্র বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কোন মানদণ্ড দেখে নির্বাচন করা হচ্ছে? আরও পড়ুন: একই অভিযোগ, আলাদা পরিণতি! শাহানু গ্রেফতার হলেও কেন অধরা টাকির চেয়ারম্যান?

এখানেই শেষ নয়, দূরদর্শন বা আকাশবাণীর মতো রাষ্ট্রায়ত্ত মাধ্যম, বেশ কয়েকটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকেও বিধানসভার ভেতরে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়নি। হাতে গোনা যে কয়েকটি সংবাদপত্রের প্রতিনিধিরা ছাড়পত্র পেয়েছেন, তাঁদেরও মোবাইল ফোন নিয়ে ঢুকতে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল সরকার স্বীকৃতি না থাকা কয়েকটি ওয়েব পোর্টালকে বিধানসভার ভেতরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ওই পোর্টালটি শাসক দলের ঘনিষ্ঠ ও তাদের প্রচারযন্ত্র হিসেবে কাজ করে। সেই ‘আনুগত্যের পুরস্কার হিসেবেই তাদের এই বাড়তি সুবিধা দেওয়া হলো।

বিরোধীদের দাবি, সংবাদ নিয়ন্ত্রণ করতেই ‘পছন্দের’ মাধ্যমকে ভেতরে অপছন্দের’ সংবাদমাধ্যমকে বাইরে রাখা হচ্ছে। প্রথম অধিবেশনেই সংবাদমাধ্যমের ওপর এমন নিয়ন্ত্রণ জারি করায় সরকারের ‘স্বচ্ছতা’ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

–

–

–

–

–
–
–
