তৃণমূলে বিক্ষোভ দেখিয়ে কমপক্ষে ১৯জন সাংসদ নিয়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন বর্ষীয়ান সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার (Kakoli Ghoshdastidar। জানিয়েছেন তাঁরা সমর্থন জানাবেন কেন্দ্রের এনডিএ (NDA) সরকারকে। তবে তাঁদের আগেই বিধানসভায় প্রায় ৬০ জন বিধায়ক নিয়ে আলাদা গোষ্ঠী তৈরি করেছেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee) ও সন্দীপন সাহা (Sandipan Saha)। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের সংগঠন নিয়ে যখন বিস্তর টানাপোড়েন, সেই সময় বৃহস্পতিবার সন্ধেয় সাড়ে সাতটায় হঠাৎ নবান্নে (Nabanna) পৌঁছন কাকলি। সঙ্গী আরো দুই দল বদলু লোকসভার সংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শতাব্দী রায় (Satabdi Ray)। উদ্দেশ্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক। ফলে কারণ নিয়ে তীব্র জল্পনা তৈরি হয় রাজনৈতিক মহলে।

প্রথমে তৃণমূলের লোকসভার মুখ্য সচেতকের পদ চলে যাওয়া আর তারপরেই বিক্ষোভ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের। না না কারণ দেখিয়ে তাঁর সঙ্গী হন শতাব্দী থেকে শুরু করে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, মিতালী বাগ, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে মালা রায়, শর্মিলা সরকাররা। বিধানসভায় ঋতব্রতদের মতো আলাদা গোষ্ঠী না করে, লোকসভায় সরাসরি এনসিপিআই (NCPI) নামে এক অখ্যাত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগ দেন কাকলি, শতাব্দীরা। জানিয়ে দেন, বিজেপিরই জোট সঙ্গী হয়ে কেন্দ্রে থাকবেন। অর্থাৎ তৃণমূলের প্রতীকে যে বিজেপির বিরোধিতা করে ভোটে জিতে সংসদে গিয়েছেন, সেখানে গিয়ে দলবদলে সেই বিজেপিরই শরিক হিসেবে থাকার সিদ্ধান্ত জানান।

এই পরিস্থিতিতে এদিন সন্ধে সাড়ে সাতটায় হঠাৎ রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দফতরে হাজির তিনমূর্তি। শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে দেখা করে বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা করেন এই সাংসদরা। বিধানসভায় অধিবেশন চলছে, তারাতলায় গুদাম ধসে বিপর্যয়- এই পরিস্থিতিতে তাঁরা নাকি এলাকার উন্নয়ন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে এসেছিলেন! সংবাদ মাধ্যমে অন্তত এমনটাই জানিয়েছেন কাকলি।

আরও পড়ুন – নেই হাজিরা, মামলা নিষ্পত্তিতে অনীহা, নতুন সরকারের আইনজীবী প্যানেল নিয়ে ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট

_

_

_

_
_
_
_
