শিকল বেঁধে, গালাগালি করে একাদশীতে শ্মশানকালীর বিসর্জন

দুবরাজপুরের দাসপাড়ায় কয়েকশো বছর ধরে হয়ে আসছে শ্মশানী কালীর পুজো। শুরু হয়েছে তার প্রস্তুতি। এই পুজোর বৈশিষ্ট হল, পুজোর পরে প্রতিমা নিরঞ্জন হয় না। প্রথা মেনে বিসর্জন হয় প্রায় এক বছর পরে দুর্গাপুজোর পরে একাদশীর দিন। সেই নিয়ম মেনেই বুধবার বিসর্জন হল কালী প্রতিমার। বিসর্জনে রয়েছে অনেক নিয়ম। বেদি থেকে নাকি নামতেই চান না দেবী। আর সে কারণেই তাঁকে নামানোর জন্য আনা হয় শিকল ও দড়ি। এরপর শিকল, দড়ি দিয়ে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা হয় প্রতিমা। তারপর গালাগালি করা হয়। এইভাবেই দেবীর মূর্তিকে বেদি থেকে নামামো হয়। এরপর দড়ি দিয়ে বেঁধে কাঁধে করে নিয়ে যাওয়া হয় বিসর্জন দিতে।

শ্মশানকালীর পুজো হয় কালীপুজোর দিন। উদ্যোক্তারা বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মানুষ। আর বিসর্জনের জন্য অপেক্ষা এক বছর ধরে। সেই কারণে একে নিয়ে উন্মাদনা থাকে চূড়ান্ত।