বিপদ বাড়ল বিজেপি নেতার! এবার ম্যাথুকে নিয়ে মুকুলের বাড়ি যাবে সিবিআই

পুজোর আগে গতি বেড়েছিল। এবার নারদ কাণ্ডের জাল ক্রমশ গুটিয়ে আনছে সিবিআই। এমনটাই দাবি, নারদ কর্তা ম্যাথু স্যামুয়েলের। এদিন সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে নারদ কর্তা জানান, তদন্ত-এর জট এখন পুরোপুরি খুলে গিয়েছে। কোন নেটওয়ার্কে কীভাবে লেনদেন হয়েছে তদন্তকারীদের কাছে তা স্পষ্ট।

এরপরই ম্যাথু জানান, সিবিআই তাঁকে এবং টাইগার মির্জাকে নিয়ে মুকুলের এলগিন রোডের বাড়িতে যাবে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে। কিছুদিনের মধ্যেই সিবিআই তাঁকে জানিয়ে দেবে ঠিক কবে নাগাদ মুকুলের বাড়িতে যাওয়া হবে।

পাশাপাশি ম্যাথুর দাবি, মুকুল সরাসরি টাকা নেয়নি। কিন্তু মির্জার মারফৎ টাকা নিয়েছেন। এবং মির্জা নাকি সেকথা তদন্তকারীদের জানিয়েছেন। সুতরাং, মুকুল রায়কে বাইরে রেখে এই তদন্ত সঠিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় বলেই দাবি নারদ কর্তার। তিনি আরও বলেন, এটা খুব স্পর্শকাতর মামলা। এবং তিনি একজন ফাইটার। শেষ দেখে ছাড়বেন।

বুধবার সিবিআই-এর ডাকে বুধবার দুপুর পৌনে বারোটা নাগাদ নিজাম প্যালেসে আসেন নারদ কর্তা। একেবারেই সাদামাটা ভাবে একটি ক্যাবে করে আসেন এই সাংবাদিক।

সিবিআই আধিকারিকদের মুখোমুখি হওয়ার আগে ম্যাথু জানিয়ে যান, ডাকা হয়েছে বলে তিনি এসেছেন। তদন্ত-এ সবরকম সহযোগিতা করবেন। বেরিয়ে তাঁর দাবি, সিবিআই তদন্তের জন্য তাঁর ল্যাপটপ এবং আইফোনের পাসওয়ার্ড চেয়েছে। যদিও তিনি জানিয়েছেন, এই পাসওয়ার্ড একান্তই তাঁর ব্যক্তিগত, তিনি কোনওভাবেই তা দেবেন না। তবে তদন্তকারীরা চাইলে, তিনি সামনে বসে স দেখিয়ে দিতে পারেন।

অন্যদিকে, সিবিআই সূত্রে খবর ২০১৬ সালে নারদ স্টিং অপারেশনের যে ফুটেজ প্রকাশ্যে এসছে। এবং যেখানে বহু প্রভাবশালীকে টাকা এবং ঘুষ নিতে দেখা যাচ্ছে, সেই তদন্ত সঠিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে, যে আই ফোন থেকে ম্যাথু স্টিং অপারেশন করেছিলেন এবং তাঁর ল্যাপটপের পাসওয়ার্ড প্রয়োজন। কারণ, তদন্তকারী মনে করছেন যে ফুটেজ বাইরে এসেছে, তাছাড়াও আরও কিছু ফুটেজ নারদ কর্তার কাছে আছে। যেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি বা তথ্য পাওয়া যেতে পারে। সেই মর্মেই গত ৪ অক্টোবর নোটিশ পাঠিয়েছিল সিবিআই।

আরও পড়ুন-সিবিআই দফতরে নারদ কর্তা ম্যাথু, চাওয়া হতে পারে আইফোন-ল্যাপটপের পাসওয়ার্ড