Tuesday, April 21, 2026

নির্ভয়াকাণ্ডের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে ফাঁসির সাজায় আইনি সুযোগ কমানোর আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গেল কেন্দ্র

Date:

Share post:

জঘন্য অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডের সাজাপ্রাপ্তদের আইনি সুযোগ কমানোর আর্জি নিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টে গেল কেন্দ্রীয় সরকার। এক্ষেত্রে আদালতের সামনে তুলে ধরা হয়েছে নির্ভয়াকাণ্ডের দৃষ্টান্ত, যেখানে গণধর্ষণে যুক্ত অপরাধীরা ফাঁসির সাজাকে বিলম্বিত করতে আইনি সুযোগের অপব্যবহার করছে। কেন্দ্রের যুক্তি, আইনের সুযোগ তৈরি করার সময় অপরাধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। না হলে আইনি সুযোগকে শাস্তি বিলম্বিত করার অপকৌশল হিসাবে ব্যবহার করা হতে পারে। তা কখনই কাম্য নয়। তাই ফাঁসির সাজাপ্রাপ্তদের আইনি সুযোগ নেওয়ার সময় বেঁধে দেওয়া উচিত।

প্রসঙ্গত, নির্ভয়াকাণ্ডের চার দোষী আলাদা আলাদা সময়ে পৃথকভাবে আদালতে রিভিউ পিটিশন, কিউরেটিভ পিটিশন বা রাষ্ট্রপতির ক্ষমাপ্রার্থনার আর্জি জানাচ্ছে। প্রতি ক্ষেত্রেই একটি আবেদন খারিজের পর সাজা কার্যকরের আগে নিয়মমত চোদ্দ দিন সময় দিতে হয়। যেহেতু চারজনের একইসঙ্গে সাজা কার্যকর হওয়ার কথা, তাই সবার সব সুযোগ শেষ না হলে ফাঁসি কার্যকর হওয়া সম্ভব নয়। আদালতের প্রথম নির্দেশে  22 জানুয়ারি ফাঁসি হওয়ার কথা ছিল। পরে তা পাল্টে 1 ফেব্রুয়ারি করা হলেও সেদিন তা কার্যকর করা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কারণ চার দোষীর মধ্যে একমাত্র মুকেশের সব সুযোগ নেওয়া হয়ে গেলেও বাকি তিনজন অর্থাৎ বিনয়, পবন ও অক্ষয়ের এখনও কয়েকটি সুযোগ নেওয়া বাকি। যেমন কিউরেটিভ পিটিশন ও রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমাভিক্ষা। সবকটি আর্জি খারিজ হয়ে যাবে ধরে নিয়েও মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে সব সুযোগ দেওয়ার সংস্থান রেখেছে আদালত।

এই পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ আদালতের কাছে মৃত্যুদণ্ডের সাজায় চলতি নিয়ম পরিবর্তনের দাবি জানালো কেন্দ্র। কেন্দ্রের প্রস্তাব, আইনি সুযোগকে দেরির কৌশল হিসাবে যাতে অপরাধীরা ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য সময়সীমা কমানো হোক। ফাঁসির ওয়ারেন্ট জারির পর দোষীদের কিউরেটিভ পিটিশনের জন্য সাতদিন ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমাভিক্ষার জন্য সাতদিন বরাদ্দ করার পক্ষপাতী কেন্দ্র।

Related articles

ডিএ বৃদ্ধি-প্রকল্প ঘোষণা জুমলা সরকারের ‘নির্বাচনী টোপ’! কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন নেত্রী

বাজেটে কোনও ঘোষণা করেনি কেন্দ্র। ভোটের মুখে বিধি ভেঙে মাতৃশক্তি কার্ড বিলি, আবার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ২ শতাংশ...

তৃণমূল নেত্রীকে কমিশনের নিষেধাজ্ঞা! পতাকা-প্রতীক ছাড়াই আড্ডা মমতার

কখনও হেলিকপ্টার উড়তে বাধা। কখনও সভা করতেই অনুমতি নেই। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য হরেক নিয়ম লাগু করার জন্যই নির্বাচন...

প্রথম দফায় ১০০ শতাংশ ওয়েবকাস্টিং! ১৫২ আসনে ভোট, কড়া নজর কমিশনের

বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট মেনেই রাজ্যে বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। ১৬টি জেলার মোট ১৫২টি আসনে এই দফায় জনমত প্রতিফলিত...

কমিশনের সাঁজোয়া গাড়ির পরে রাজ্যপালের হেল্পলাইন নম্বর: শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি

বাংলার নির্বাচনে ভোটারদের ভোট দেওয়া ছাড়া আর সবই প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছে নির্বাচন কমিশন। একদিকে বুথে পৌঁছাতে প্রায়...