বেকারিতে কর্মী নেই, মিলছে না পাউরুটি, লুটপাটের অভিযোগ

পাউরুটি উৎপাদন ও সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। লকডাউনে ছাড় দেওয়া হয়েছে পাউরুটিকে। কিন্তু কলকাতা, শহরতলি ও জেলার বিভিন্ন প্রান্তে পাউরুটি পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠছে৷ অথচ পাউরুটি অত্যাবশকীয় দ্রব্যের তালিকায়৷ রাজ্যের একাধিক বেকার্স অ্যাসোসিয়েশন পাউরুটি না পাওয়ার অভিযোগ স্বীকারও করে নিয়েছে। তাদের বক্তব্য, কর্মচারীরা আসছেন না। ফলে কলকাতা ও জেলার একাধিক পাউরুটি কারখানা বন্ধ করে দিতে হয়েছে। কলকাতা ও সংলগ্ন জেলায় দোকান-বাজার খোলা থাকলেও, পাউরুটি পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ। জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটি অব ওয়েস্ট বেঙ্গল বেকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক ইদ্রিশ আলি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় পাউরুটি পাওয়া যাচ্ছে না, এটা সঠিক। তার মূল কারণ হল কারখানায় কর্মচারীদের না আসা। কলকাতায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় পঞ্চাশটি কারখানার মালিক তাঁদের ইউনিট বন্ধ করে দিয়েছেন বলে তাঁর দাবি।

সাধারণ মানুষকে পাউরুটি সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রশাসনের সহযোগিতা দাবি করেছে বেকার্স অ্যাসোসিয়েশন।কারন, কারখানা থেকে অথবা বিক্রির সময় পাউরুটি লুটপাট হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে ওয়েস্ট বেঙ্গল বেকার্স অ্যাসোসিয়েশন।

——-

লকডাউনে মানুষের কাছে খাদ্য, প্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দিতে উদ্যোগী ডাক বিভাগ, ক্ষুব্ধ কর্মীরা

লকডাউনে সাধারণ মানুষের কাছে খাদ্যদ্রব্য ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পৌঁছে দিতে উদ্যোগী হল ডাক বিভাগ। প্রত্যেকটি রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে এই ব্যাপারে চিঠি পাঠিয়েছেন ডাক বিভাগের সচিব প্রদীপ্তকুমার বিষয়ী।