বাংলার নির্বাচন মানেই যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হওয়া, তা বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সেই বার্তা বহন করে এবার বাংলার প্রশাসনের দ্বারস্থ রাজ্য বিজেপি। যেভাবে ভোট পরবর্তী হিংসায় (post poll violence) একের পর এক প্রাণ চলে যাচ্ছে, তা থেকে রাজ্যকে শান্ত করার দাবি নিয়ে নবান্নে (Nabanna) বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) এবং রাজের পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল (Sunil Bansal)।

নবান্নে রাজ্যের মুখ্যসচিব (Chief Secretary) দুষ্মন্ত নারিয়ালার (Dushyant Nariala) সঙ্গে দেখা করেন শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) ও সুনীল বনসল। তাঁকে প্রশাসনিকভাবে সব রকম পদক্ষেপের মধ্যে দিয়ে রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবি জানান শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, ভোট-পরবর্তী হিংসা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। বিজেপিতে তৃণমূলীকরণ চলবে না। তিনি স্পষ্ট জানান, এই বিষয় নিয়েও প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হবে।
শমীক আরও বলেন, বিজেপির পতাকা নিয়ে কেউ যদি তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করে, তার দায় এই মুহূর্তে বিজেপি নেবে না। কারণ, এখনও আমরা ক্ষমতায় আসিনি। তাঁর দাবি, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরবর্তী পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব রাজ্যপাল ও নির্বাচন কমিশনেরই।

আরও পড়ুন : শুভেন্দুর সঙ্গে দুই ডেপুটি, তাঁরা কারা?

বিজেপি রাজ্য সভাপতির কথায়, আমি ছ’মাস আগে থেকেই বলে আসছি, তৃণমূল চলে গিয়েছে, তৃণমূল চলে যাবে। আর তৃণমূল চলে যাওয়ার পরে যে ‘ব্রিদিং টাইম’ (breathing time) থাকে, সেখানে রাজ্যপাল (Governor of West Bengal) এবং নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission) দায়িত্ব নিতে হবে— তৃণমূলকে তৃণমূলের হাত থেকে বাঁচানোর দায়িত্ব।

–

–

–
–
–
