Saturday, June 13, 2026

মহামারির ধাক্কায় রাজনৈতিক কর্মসূচির ঠিকানা এখন রেড রোড

Date:

Share post:

রাজনৈতিক প্রতিবাদের পছন্দসই এলাকা এটি কোনওকালেই ছিলো না৷ কিন্তু মহামারির জেরে বদলে গিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির ভাবনাচিন্তা৷ প্রতিবাদ জানানোর নয়া ঠিকানা এখন রেড রোড।

পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, ওই পথ-ই এখন রাজনীতির আখড়া হতে চলেছে৷ রেড রোডে প্রথম প্রতীকী প্রতিবাদ কর্মসূচি ছিলো বামেদের৷ এর পরও নানা কর্মসূচি হয়েছে। আগামীকাল, সোমবার বামেদের সঙ্গে নিয়ে পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের প্রতিবাদ কর্মসূচিও হবে এই রেড রোডেই। প্রদেশ কংগ্রেসের বক্তব্য, সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে প্রতিবাদ করার জন্যই রেড রোডকে বাম ও কংগ্রেসের বৈঠকে বেছে নেওয়া হয়েছে। জনবহুল এলাকা নয়, কনটেনমেন্ট জোনও নেই। শুধু দু’পক্ষের নেতৃত্ব ও নির্দিষ্ট কর্মীরা থাকবেন।
মহামারি ঠেকানোর নানা বিধির ঠেলায় আগামীদিনে এই রেড রোডই কি হতে চলেছে রাজনৈতিক
প্রতিবাদের মূল কেন্দ্র?

অনেক নেতা-ই মনে করছেন, রেড রোড জনসভা করার জায়গা নয়। এখানে লোকজন আনা মুশকিল৷ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে হয়তো পুরোনো জায়গাতেই ফিরবে রাজনৈতিক কর্মসূচি ৷রেড রোডকে এভাবে প্রতিবাদ বা বিক্ষোভের জায়গা বানানোর ‘কৃতিত্ব’ নাকি ফরওয়ার্ড ব্লকের রাজ্য সম্পাদক নরেন চট্টোপাধ্যায়ের৷ লকডাউন চলাকালীন বামেরা মহামারি রাজ্য ও কেন্দ্রের ব্যর্থতা নিয়ে প্রথম বিক্ষোভ দেখানোর পরিকল্পনা করেছিলো মৌলালিতে৷ কিন্তু অনুমতি মেলেনি জনবহুল এলাকা বলে৷ তখন রেড রোডে বিক্ষোভের প্রস্তাব দেন নরেনবাবুই৷

Related articles

নীরব-মামলায় পিএনবি কর্তাদের ক্লিনচিট দিল সিবিআই, বিশেষ আদালত থেকে মামলা সরল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে

পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক (পিএনবি) জালিয়াতি মামলায় বড়সড় মোড়। পলাতক হিরে ব্যবসায়ী নীরব মোদির কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার...

যুব তৃণমূল সভানেত্রীর পদ থেকে সায়নীর বিদায়: গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কুণাল

নতুন করে সংগঠনকে সাজিয়ে তুলছেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পথে একগুচ্ছ সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। শনিবার নেত্রীর বাসভবনে...

স্মার্ট মিটার বাধ্যতামূলক! রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় সরব যৌথ মঞ্চের নেতা ভাস্কর

সরকারি কর্মীদের বাড়িতে স্মার্ট মিটার বাধ্যতামূলক! রাজ্যের তহবিল থেকে যাঁরা বেতন, সাম্মানিক বা পারিশ্রমিক পান— সেই সমস্ত শিক্ষক,...

ঈদে ‘না’, যোগ দিবসে সেই রেড রোড আটকেই প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান!

সাধারণ মানুষের অসুবিধা করে কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠান করা যাবে না। বাংলায় ক্ষমতা দখলের পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে...