ভালো স্কোর করেছে বর্ষা, বলছে রেকর্ড

গতবছর পারফরম্যান্স একেবারেই ভালো  ছিল না । বৃষ্টির পরিমাণ ছিল খুবই কম। কিন্তু এই বছর জুন মাসেই ভালো স্কোর করেছে বর্ষা । রেকর্ড বলছে এমনটাই। বর্ষার প্রথম মাস, অর্থাৎ জুন শেষ হল। এই মাসে গোটা রাজ্যে স্বাভাবিকের থেকে ১৭ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। এমনই তথ্য পাওয়া গিয়েছে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের তরফে। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি হয়েছে স্বাভাবিকের ১৪ শতাংশ বেশি আর উত্তরবঙ্গে ৫৩ শতাংশ বেশি।

এ বার শুরু থেকে গোটা রাজ্যে বর্ষা খুবই ছন্দে রয়েছে। উত্তরবঙ্গে তো গত সপ্তাহে অতি বৃষ্টি হয়েছে টানা বেশ কয়েক দিন। তুলনায় দক্ষিণবঙ্গে এখনও সে ভাবে টানা অতি ভারী বৃষ্টি না হলেও মোটামুটি ছন্দেই দেখা গিয়েছে বর্ষাকে।গত বছর এই সময়টায় রাজ্যের বর্ষা পরিস্থিতি খুবই খারাপ ছিল। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির ঘাটতি ৬০ শতাংশেরও বেশি হয়ে গিয়েছিল। উত্তরবঙ্গে স্বাভাবিক বৃষ্টি হলেও এ বারের মতো অতটাও নয়। গত বছর গোটা জুনে কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছিল ৯১ মিলিমিটার। স্বাভাবিক হিসেবে জুনে কলকাতায় তিনশো মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। এ বার হয়েছে ৩৮৭ মিলিমিটার।
এদিকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে আগামী কয়েকদিন চলবে বৃষ্টি। এমনটাই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা যাচ্ছে, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, দুই বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রামে বৃষ্টি হতে পারে। তবে দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরের কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। মালদা, দুই দিনাজপুরেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে।

বুধবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। মঙ্গলবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। এই তাপমাত্রা বৃষ্টি না হলে বেড়ে আজ মঙ্গলবার ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যেতে পারে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমান যথারীতি অনেক বেশি। সর্বোচ্চ ৯৫ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৫৮ শতাংশ। বৃষ্টি হয়েছে ৫.৮ মিলিমিটার। দমদমে ২.৩ ও সল্টলেকে বৃষ্টি হয়নি।