সাদা কাগজে লেখা বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়কের লেখা আবেদনের ভিত্তিতে তাঁকে বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দেওয়া পরে এখন “ঋতব্রতর বহিষ্কার বৈধ নয়” বলে মন্তব্য করলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু। বৃহস্পতিবার, দিল্লিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অধ্যক্ষ বলেন, “দলের সংবিধান অনুযায়ী, বহিষ্কারের চিঠি বৈধ নয়।“ রথীন্দ্র বসু (Rathindra Basu) যখন সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন, তখন পাশে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু, অর্জুন রাম মেঘওয়াল, বিধানসভার সচিব সত্যেন্দ্রনাথ দাস।

তৃণমূলের দুই ‘বিভীষণ’ বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee) ও সন্দীপন সাহার (Sandipan Saha) অভিযোগের ভিত্তিতে বিধায়কদের (MLA) সই জাল তদন্ত হচ্ছে। সোমবার, নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে এই সত্য ফাঁস করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি সাফ জানান, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এই সাংবাদিক বৈঠকের পরেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হল, দল বিরোধী কাজের জন্য ঋতব্রত ও সন্দীপনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে (Rathindra Basu)।

বুধবার, দিনভর টানাপোড়েনের পরে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ঘরের চাবি তৃণমূল (TMC) থেকে বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেন স্পিকার। সকালে বিরোধীদলের দাবি জানিয়ে সাদা কাগজে ৫৮ জনের সম্মতি-সহ চিঠি রথীন্দ্র বসুকে দেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সন্দীপনরা। এর পরে বিকেলে তাঁদের হাতেই ঘরের চাবি দেন অধ্যক্ষ।

এবার ঋতব্রতর বহিষ্কার বৈধ নয় বলে দাবি করেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার। রথীন্দ্র বসুর কথায়, “দলের সংবিধান অনুযায়ী, বহিষ্কারের চিঠি বৈধ নয়। শোকজ করতে হয় সময় দিতে হয়। একদিনেই দুম করে বহিষ্কার করা যায় না। ওঁদের কাছে বিধায়ক সংখ্যা আছে। তাই মেনে নিয়েছি।”

স্পিকার জানান, “এর আগে দলের চিঠিতে স্বাক্ষর নিয়ে সমস্যা ছিল, আমরা সেটা তদন্তের জন্য সিআইডিকে দিয়েছি।”

–

–

–
–
–
