বিমানবন্দর থেকে উধাও ‘ফিফি’, মানবিক আবেদন মীর-এর, আমাদেরও

ফেসবুকে মানবিক এক পোস্ট করেছেন জনপ্রিয় অ্যাঙ্কার মীর আফসর আলি৷

গত ২৪ জুন বিমানে চেপে কলকাতায় নামার পরে বিমানবন্দর থেকেই উধাও ছ’মাসের ‘ফিফি’। তারপর থেকে বিমানবন্দর ও তার আশপাশের এলাকা চষে ফেলেছেন জনা পাঁচেক ছাত্রী। কিন্তু এখনও খোঁজ মেলেনি সন্তানসম সেই কুকুর ‘ফিফি’-র৷ ওই ছাত্রীরা দমদম বিমানবন্দর এলাকায় বিশেষ অনুমতি নিয়ে পোস্টার লাগিয়েছেন৷ এবার তাঁদের পাশে দাঁড়ালেন মীর৷

মঙ্গলবার সকালে মীর নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করে বলেছেন…

“Please go through this post

ফিফি হারিয়ে গিয়েছে। গত ২৪ জুন বিমানে চেপে কলকাতায় নামার পরে বিমানবন্দর থেকেই উধাও ছ’মাসের ফিফি। তার পর থেকে বিমানবন্দর ও তার আশপাশের এলাকা পায়ে হেঁটে চষে ফেলেছেন জনা পাঁচেক ছাত্রী। কিন্তু, গতকাল, সোমবার দুপুর পর্যন্ত কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি ছ’মাসের ফিফি-কে।

নয়ডা থেকে কয়েক দিন বয়সি ফিফিকে উদ্ধার করেন নন্দিনী কৌশিক। নন্দিনী নয়ডায় শিবনাদর বিশ্ববিদ্যালয়ের বি-টেক Final Year-এর ছাত্রী। পরে তাকে দত্তক নেন সেখানকার ছাত্রী, কলকাতা নিবাসী নীলাঞ্জনা কোঠারি।
লকডাউনে flight বন্ধ থাকায় ফিফিকে দিল্লির একটা হস্টেলে রাখা হয়। নন্দিনীই ছিলেন দেখভালের দায়িত্বে। Flight চালু হতে নীলাঞ্জনা নিজে চলে আসেন কলকাতায়। ২৪ জুন সন্ধ্যায় এয়ার ইন্ডিয়ার flight-এ CARGO-য় খাঁচায় ভরা ছ’মাসের ফিফি কলকাতায় আসে। Airport-এর CARGO-য় গিয়ে নীলাঞ্জনা খাঁচা খুলে তাকে জল খাওয়াতে গেলে এক লাফে খাঁচা থেকে বেরিয়ে পালিয়ে যায় ফিফি। তার পর থেকেই খোঁজা হচ্ছে তাকে। চার দিন ধরে খুঁজে না পাওয়ায় ২৮ জুন কলকাতায় এসেছেন নন্দিনী। Airport-এর চারপাশে খুঁজে বেড়াচ্ছেন তিনি।

ফিফি কোনও ভাবে কলকাতা বিমানবন্দরের অ্যাপ্রন এলাকায় লুকিয়ে থাকতে পারে। অ্যাপ্রন এলাকা হল, যেখানে flight দাঁড়ায়, যেখানে রানওয়ে রয়েছে এবং যেখানে ট্যাক্সিওয়ে দিয়ে flight রানওয়েতে পৌঁছয়।
বিশাল ওই এলাকায় ফিফিকে খুঁজে বার করতে শনিবারই কলকাতা Airport-এর Director কৌশিক ভট্টাচার্যকে ইমেলে অনুরোধ করেছেন ফিফিকে খুঁজে-বেড়ানো এক ছাত্রী, দ্যুতিস্মিতা দাস। দিল্লি ইউনিভার্সিটি-র সাইকোলজির Final Year-এর ছাত্রী দ্যুতিস্মিতা। দ্যুতিস্মিতার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি আমরা 98.3 MIRCHI… তার কথা রেডিওতে শোনানোও হয়েছে আজ আমার শোয়ে। দেখুন খুঁজে পান কি না। পেলে পোস্টের সঙ্গে দেওয়া পোস্টারে লেখা নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।”

‘বিশ্ব বাংলা সংবাদ’-এর তরফেও যারা দমদমের কাছাকাছি থাকেন, সেই পাঠকদের কাছে অনুরোধ, একটু নজর রাখবেন, অবলা ‘ফিফি’-কে যারা নিজের সন্তানস্নেহে প্রতিপালন করছেন, তাদের কাছে যদি এই ‘ফিফি’-র কোনও খবর পৌঁছে দেওয়া যায় সঙ্গে দেওয়া ফোন নম্বরে৷