করোনা চিকিৎসায় খরচ কত? জেনে নিন খুঁটিনাটি

করোনা আক্রান্তের চিকিৎসার খরচ নির্ভর করে রোগীর শরীরে সংক্রমণের মাত্রার উপরে।
ভারতে করোনা আক্রান্ত ৮০% রোগীর চিকিৎসা হয় সরকারি হাসপাতালে।
সরকারি হাসপাতালের হিসেব অনুযায়ী, সাধারণ করোনা আক্রান্তদের ক্ষেত্রে ভেন্টিলেটর-সহ জীবনদায়ী ব্যবস্থা ছাড়া প্রতিদিন খরচ পড়ে ২০,০০০ থেকে ২৫,০০০ টাকা।

তামিলনাড়ু

নিজেদের রাজ্যে RT-PCR পরীক্ষার টাকা ২৫০০-এ বেঁধে দিয়েছে তামিলনাড়ু সরকার৷ চিফ মিনিস্টার কম্প্রিহেনসিভ হেলথ ইনস্যুরেন্স স্কিমে এই নির্দিষ্ট রেটেই RT-PCR পরীক্ষা হচ্ছ৷
এই প্যাকেজই ব্যবহার করতে হবে বেসরকারি হাসপাতগুলোকেও৷ এরই পাশিপাশি সরকারি হাসপাতাল থেকে রেফার করা নন ক্রিটিক্যাল কেয়ারের রোগীদের জন্য ২৫ শতাংশ বেড ধার্য করতে হবে বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে৷
সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্য চিকিৎসা হচ্ছে৷ অন্যদিকে বেসরকারি হাসপাতালে A1 ও A2 গ্রেড এবং A3 ও A6 গ্রেডে যথাক্রমে চিকিৎসার খরচ হচ্ছে ৭৫০০ টাকা ও ৫০০০ টাকা প্রতিদিন৷ তবে এটা সাধারণ করোনা রোগীর ক্ষেত্রে৷ করোনা রোগীর অবস্থা সঙ্কটজনক হলে সেই খরচ বেড়ে হবে প্রতিদিনের জন্য ১৫০০০ টাকা৷

কর্নাটক

সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী করোনা চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত প্রাইভেট হাসপাতালের ৫০ শতাংশ বেড রাখতে হবে সরকারি হাসপাতাল থেকে রেফার করা রোগীর জন্য৷ এর মধ্যে থাকবে ভেন্টিলেটর যুক্ত HDU ও ICU বেড৷
তবে এই খরচ হাসপাতাল থেকে হাসপাতাল পাল্টাতে পারে৷

মুম্বই

RT-PCR পরীক্ষার জন্য প্রথমে ৪৫০০টাকা ব্যয় করতে হলেও তা পরবর্তী সময়ে কমিয়ে দিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার৷ এখন করোনা টেস্টের জন্য ব্যয় করতে হবে ২৮০০ টাকা৷ তবে বাড়ি থেকে লালারস সংগ্রহ করলে তা ২০০ থেকে ৪০০ টাকা বেড়ে যেতে পারে৷
যদিও বেসরকারি হাসপাতালে দিনে ১০ হাজার টাকা এবং ভিআইপি রুমের জন্য দিনে ১ লক্ষ টাকা ধার্য করা হয়েছে৷

দিল্লি

দিল্লিতে যদিও বেসরকারি হাসপাতালে রেট প্যাকেজের মাধ্যমে বেধে দেওয়া হয়েছে৷

কেরল

কেরল সরকার করোনার জন্য পুরোপুরি বিনামূল্যের চিকিৎসা পরিষেবা দিচ্ছে৷ তবে বেসরকারি ক্ষেত্রে সরকারের দেওয়া প্যাকেজ গ্রহণ করা হয়নি৷ করোনার চিকিৎসার জন্য ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিতে পারবে বেসরকারি হাসপাতালগুলি৷