Monday, January 12, 2026

চিনের সঙ্গে ১৩ ঘণ্টার সেনা বৈঠক নিষ্ফলা, অনড় ভারতীয় সেনাও

Date:

Share post:

লাদাখ সীমান্ত সংঘাত নিরসনে দুদেশের সেনা পর্যায়ের বৈঠক। চুশুল-মলডোতে ভারত-চিনের মধ্যে ১৩ ঘণ্টার সেই ম্যারাথন বৈঠক কার্যত নিষ্ফলা হয়েই শেষ হল। তবে ফের আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দু-পক্ষই।

অতীতের আড়ষ্টতা কাটিয়ে শুধুমাত্র চিনের কথাতেই আর নিজেদের জায়গা ছাড়তে আর রাজি নয় ভারতীয় সেনা। ভারতীয় সেনার এই অনড় মনোভাব অস্বস্তিতে ফেলেছে চিনকেও। চিনের দাবি ছিল, প্যাংগং লেকের চার নম্বর ফিঙ্গার পয়েন্ট থেকে ভারতীয় সেনা ও ইন্দো টিবেটান বর্ডার পুলিশকে সরে যেতে হবে। কিন্তু তা খারিজ করে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। অতীতে দেখা গেছে এলএসি থেকে ডিএসক্যালেশন ও ডিসএনগেজমেন্টের সিদ্ধান্ত হয়ে গেলেও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের রেকর্ড করেছে চিন। ভারতীয় সেনা সরে গেলেও ফাঁকেতালে বেআইনি অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে গেছে লাল ফৌজ। তাই এবারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভারতীয় সেনা নিজেদের কবজায় থাকা এলাকা থেকে এখন সরবে না। এমনিতে দেপসাংয়ের পেট্রলিং পয়েন্টগুলিতে চিনা ফৌজ পথ আটকে থাকায় ভারতীয় সেনা টহলদারি দিতে পারছে না। তিনটি পেট্রোলিং পয়েন্টের অবস্থান ১০ এবং ১৩-র মধ্যবর্তী অঞ্চলে। চিনা ফৌজের উপস্থিতির কারণে ভারতীয় সেনা এখন ‘বটলনেক’ পেরিয়ে এলএসি-র দিকে এগোতে পারছে না। ‘বটলনেক’-এর সাত কিলোমিটার পশ্চিমে দাবরুক-শিয়োক-ডিবিও রোডের উপরে অবস্থিত বার্ৎসেতে ভারতীয় সেনার শিবির রয়েছে। আপাতত প্রথাগত রুট পরিহার করে সেখান থেকেই টহলদারির কাজ চলছে।

আরও পড়ুন-সাত রাজ্যের সঙ্গে কাল ফের করোনা- বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

spot_img

Related articles

সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন ইডি-র: সোমেই শুনানির আবেদন

রাজ্যের তরফে ক্যাভিয়েট দাখিলের পরে শীর্ষ আদালতে দ্রুত তৎপরতা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র। সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ইডি। সেখানে...

আম্বেদকর মূর্তির রেলিংয়ে ধাক্কা লরির! ভোরের কলকাতায় এড়ানো গেল বড় দুর্ঘটনা

বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেল সোমবার ভোরে রেড রোডে। নিরাপত্তায় মোড়া রেড রোডে সোমবার ভোরে একটি লরি সোজা এসে...

শীতলতম কল্যাণী: চলতি সপ্তাহে কলকাতায় পারদ ছোঁবে ১২ ডিগ্রি

শুধু শীতের আমেজ নয়, গোটা বাংলা এ বছরের শীতে হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডাতেই অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। সেই অভ্যাসে নতুন...

স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তীতে কাজের মধ্যেই শ্রদ্ধা: সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী

তিনিই বলেছিলেন গীতাপাঠের চেয়ে ফুটবল খেলা ভালো। যার অন্তর্নিহিত অর্থ কর্মই অনেক বেশি কাঙ্খিত, ধর্মের আলোচনার থেকে। আর...