মোদির দেশে কতটা সুরক্ষিত মহিলারা?

rape

হাথরাসে তরুণীকে ধর্ষণ নিয়ে উত্তাল সারা দেশ। দলিত তরুণীর উপর হওয়া নৃশংস অত্যাচারের ঘটনা শুনে আঁতকে উঠেছেন সমগ্র দেশবাসী। আজকের ভারতে কতটা সুরক্ষিত মহিলারা সেই প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। এরই মধ্যে ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর রিপোর্ট দেখে শিউরে উঠছেন সবাই।

২০১৯ সালের ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, মোট অপরাধের মধ্যে দেশে বধূ নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ৩০.৯ শতাংশ। মহিলা অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ১৭.৯ শতাংশ। ভারতে প্রতি ১৬ মিনিটে একটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। প্রতি ৬ মিনিটে একজন মহিলার সঙ্গে অশালীন বা অশ্লীল আচরণ করা হয়। প্রতিদিনের হিসেবে এই সংখ্যাটা দাঁড়াচ্ছে ৯০ থেকে ৯১-তে। প্রতি ২ ঘণ্টায় কোনও না কোনও মহিলাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। প্রতি ৪ ঘণ্টায় ভারতে একজন মেয়ে পাচার হয়ে যায়। প্রতি ৩০ ঘণ্টায় গণধর্ষণ করে খুন করা হয় ৬ জনকে। ৭৩ মিনিটে পণের দাবিতে নির্যাতিতা হন একজন মহিলা ৭। প্রতি ৪ মিনিটে গার্হস্থ্য হিংসার শিকার হন ১ জন।

এরপরই প্রশ্ন উঠছে মোদির দেশে কতটা সুরক্ষিত মেয়েরা? এমনকী ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’ নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন দেশবাসী। আজকের ভারতেও  শ্বশুরবাড়ির রোষের মুখে এখনও পড়তে হয় মেয়েদের। এনসিআরবির ওই রিপোর্টই বলছে, কড়া আইন থাকা সত্বেও ভারতে এখনও পারিবারিক হিংসার শিকার হন অনেকেই। প্রতি চার মিনিট অন্তর দেশের একজন বধূ তাঁর স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির লোকেদের হাতে অত্যাচারিত হন। প্রতি ঘণ্টায় অন্তত একজন বধূর পণপ্রথা সংক্রান্ত অত্যাচারের জন্য মৃত্যু হয়। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর কার্যত মাথায় হাত পড়েছে সাধারণ মানুষের।

আরও পড়ুন:স্বামীজির অপমান! খুলে নেওয়া হোক যোগীর গেরুয়া পোশাক, অভিজিৎ ঘোষের কলম