অর্ডার দিয়েও মেলেনি ফোন, অ্যামাজন সিইওকে নালিশ ঠুকতেই টাকা ফেরত

ভারতের মাটিতে দাপটের সঙ্গে ব্যবসা করছে বিদেশী ই-কমার্স সংস্থা অ্যামাজন। পরিষেবা নিয়ে কখনও কখনও অভিযোগ উঠলেও শক্ত হাতে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে গিয়েছেন ভারতে অবস্থিত অ্যামাজনের কর্মকর্তারা। তবে আমাজনের পরিষেবা নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ ছিলেন মুম্বইয়ের বাসিন্দা ওমকার হানমান্তে। এই ই-কমার্স সংস্থায় একটি মোবাইল ফোন অর্ডার করেছিলেন তিনি। মোবাইল তো মেলেনি, উল্টে টাকাও ফেরত পাননি ওই গ্রাহক। রীতিমতো ক্ষুব্ধ হয়ে এরপর সরাসরি তিনি অভিযোগ করেন অ্যামাজনের সিইও জেফ বিজোসের কাছে। আর তার ফল তিনি পেলেন একেবারে হাতেনাতে।

জানা গিয়েছে, ওমকার নামে ওই ব্যক্তি নিজের ঠাকুমার জন্য অ্যামাজনে একটি মোবাইল ফোনের অর্ডার দিয়েছিলেন৷ যে মোবাইল তিনি অর্ডার করেন সেটি ছিল নোকিয়ার ফিচার ফোন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ফোন হাতে পাননি ওমকার৷ অথচ অ্যামাজনের অর্ডার স্ট্যাটাসে ফোনটি ডেলিভারি করা হয়েছে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। ওমকারের অভিযোগ, মুম্বইয়ের যে অ্যাপার্টমেন্টে তিনি থাকেন সেখানে ডেলিভারি বয় এসেছিল। কিন্তু ফোন হাতে না দিয়ে বাড়ির গেটে পার্সেলটি রেখে চলে যায় সে। এরপর গেট থেকেই চুরি হয়ে যায় ফোনটি। গোটা ঘটনায় ভিডিও ধরা পড়ে সিসিটিভি ফুটেজে। অভিযোগ ডেলিভারি দিতে এসে একবারও ফোন করেও জানায়নি ডেলিভারি বয়।

আরো পড়ুন: বিজেপি নেত্রী ইরাবতীকে ‘আইটেম’ বলে সম্মোধন কমলনাথের, বিতর্ক তুঙ্গে

গোটা পরিস্থিতির কথা জানিয়ে অ্যামাজনের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে যোগাযোগ করলেও কোনও ফল পাওয়া যায়নি। বাধ্য হয়েই অ্যামাজনের সিইও জেফ বিজোসকে ই-মেইল করে বসেন ওই গ্রাহক। সঙ্গে পাঠিয়ে দেন ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ। ফলও মেলে তৎক্ষণাৎ। ওমকারের ওই ই-মেইলের জবাব দেন অ্যামাজনের এক আধিকারিক। জানানো হয়, তার ই-মেইলটি জেফ বিজোস পড়েছেন। এবং তার হয়েই তিনি উত্তর দিচ্ছেন। বলাবাহুল্য, এরপর অ্যামাজন কর্তৃপক্ষের তরফে এই মোবাইলটির অর্থ ফেরত দিয়ে দেওয়া। প্রসঙ্গত, অ্যামাজন কর্তা যে নিয়মিত গ্রাহকদের অভিযোগ করেন তা একাধিক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন ইতিমধ্যেই। এদিন তারই এক বাস্তব প্রমাণ মিলল মুম্বইয়ের এই ঘটনায়।