কোচবিহার তৃণমূলে ভাঙনের ইঙ্গিত দিলেন বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়া

এবার বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়া।

তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামীর পথ ‘অনুসরণ’ করে নিজের দলের কাজকর্মের কড়া সমালোচনায় সরব হলেন সিতাই কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়া। দল শুধু নয়, ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের লোকজনকেও রীতিমতো সতর্ক করলেন তিনি।

সিতাই-এর তৃণমূল বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়া এদিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘‘মিহির গোস্বামী দল ছাড়লে তার প্রভাব তৃণমূলে পড়বেই।’’ তিনি দল ছাড়বেন কি’না, এই প্রশ্নের উত্তরে রহস্য বাড়িয়ে বলেছেন, ‘‘সময় কথা বলবে। সঠিক সময়ে জানতে পারবেন’’৷ তৃণমূল বিধায়কের এই ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তায় স্পষ্ট হয়েছে সব কিছু স্বাভাবিক নেই জেলা তৃণমূলে৷

জানা গিয়েছে, জগদীশ বর্মা বসুনিয়া একথা বলার পরই তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যান প্রশান্ত কিশোরের ‘আইপ্যাক’-এর কর্মীরা৷
সূত্রের খবর, পিকে’র লোকজনও বিধায়কের তোপের মুখে পড়েন৷ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে জগদীশবাবু না’কি বলেছেন, মিহির গোস্বামী দল ছাড়লে, আরও অনেক বিধায়ক দল ছাড়ার পথে পা বাড়িয়ে আছেন৷ নিজের দলের জেলা সভাপতির বিরুদ্ধেও ক্ষোভ জানান তিনি। সিতাই কেন্দ্রের অন্তর্গত দিনহাটা ১ নম্বর ব্লকে বিধায়কের মতামত ছাড়াই বাইরে থেকে লোক এনে ব্লক সভাপতি পদে বসানো হয়েছে বলে তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ।

আরও পড়ুন:নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার সুপ্রিম কোর্টের, জেলায় ঢুকতে পারবেন একদা দোর্দণ্ডপ্রতাপ সুশান্ত ঘোষ

কোচবিহার জুড়েই এখন আলোচনা চলছে, যে কোনও মুহুর্তে দল ছাড়ার মুখে দাঁড়িয়ে কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক মিহির গোস্বামী। জানা গিয়েছে, এই কথাই বারবার পিকে-র লোকেদের বলেছেন জগদীশ বর্মা বসুনিয়া।
মিহির গোস্বামীকে নিয়ে জেলাজুড়ে জল্পনা ছিলোই, এবার জল্পনায় যুক্ত হলেন আর এক তৃণমূল বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়া।