বাংলা কাশ্মীর! দিলীপের বিস্ফোরণ, কুণাল বললেন দলে লড়াই ঢাকতে এসব বলতে হচ্ছে

বিতর্কিত মন্তব্য বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের। বীরভূমে চা চক্রে গিয়ে বুধবার সকালে বীরভূম সহ বাংলাকে দ্বিতীয় কাশ্মীর বলে মন্তব্য করে বসেন। অভিযোগ, এখানে বাথরুম থেকে বোমা পাওয়া যায়। জঙ্গিরা ধরা পড়ে। তৃণমূল নেতার বাড়িতে বোমা তৈরি হয়। বারুদের স্তূপে বসে রয়েছে এই জেলা। বাংলা যেন দ্বিতীয় কাশ্মীর। পাল্টা তৃণমূল মুখপাত্র, প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষ বলেন, আসলে বিজেপিতে এখন আদি আর নব্য বিজেপির লড়াই চলছে। কৈলাশ বিজয়বর্গীরা দিলীপকে সরাতে চাইছেন। দলের অভ্যন্তরীণ চাপ প্রবল। সেসব থেকে মানুষের মন ঘোরাতেই এসব কথা বলতে হচ্ছেন রাজ্য সভাপতিকে। তাছাড়া দিলীপবাবু সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ থেকে ঘুরে এসেছেন। সেখানকার উন্নয়ন আর সৌন্দর্যে দেখে এসে মুগ্ধ দিলীপ বীরভূমের রুক্ষ্ণ মাটিতে পড়েছেন। ফলে গুলিয়ে ফেলে এসব মন্তব্য করেছেন। একটি কথাও ওঁর মনের কথা নয়। কংগ্রেস সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্যও একই সুরে বলেন, কী বলছেন! ভেবে বলা উচিত। কাশ্মীর আর বীরভূম এক বিষয় হলো!

দিলীপ এদিন চা চক্রে বলেন, বিজেপির কর্মসূচি অনুসরণ করছে তৃণমূল। অমিত শাহ আদিবাসী পরিবারের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারার পর তাঁকে অনুসরণ করে মুখ্যমন্ত্রী গেলেন। কুণাল পাল্টা বলেন, মানুষের দরবারে এ রাজ্যে প্রথম যিনি যেতেন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর এই জনসংযোগের কারণেই বিজেপিকে চায়ে পে চর্চায় নামতে হয়েছে। প্রদীপবাবু অবশ্য তৃণমূল-বিজেপির ‘আদিবাসী প্রেম’কে কটাক্ষ করে বলেন, এটা কোনও প্রতিযোগিতা হলো? যদি কাজই করতে হয়, তাহলে আদিবাসীদের জন্য ৫০০টি বাড়ি করে দিন না। সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম দিলীপের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বলেন, যেখানে আরএসএস ঢোকে সেখানেই দাঙ্গা, লড়াই হয়। মানুষ অভিজ্ঞতা দিয়ে সব বোঝেন।