মইদুলের মৃত্যুর প্রতিবাদে দিল্লির বঙ্গভবনে বিক্ষোভ ডিওয়াইএফআই-এর

ডিওয়াইএফআই(DYFI) নেতার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই তেতে উঠেছে বঙ্গ রাজনীতি। রাজ্যের নানা প্রান্তে বামেদের বিক্ষোভের পাশাপাশি একাধিক কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে। এবার রাজ্য ছাড়িয়ে এর প্রভাব গিয়ে পড়ল দিল্লিতেও। বাম নেতার মৃত্যুতে সোমবার দিল্লির জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে(JNU) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) কুশপুতুল দাহ করার পাশাপাশি সেখান থেকেই ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছিল মঙ্গলবার হবে বঙ্গ ভবন ঘেরাও কর্মসূচি। সেইমতো মঙ্গলবার দুপুরে দিল্লির বঙ্গ ভবন(Bongo Bhawan) ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাল ডিওয়াইএফআই ছাত্র-যুবরা। পাশাপাশি চলল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে স্লোগান।

বামেদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, অশান্তি এড়াতে সোমবার বিকেল থেকেই বঙ্গভবনের সবকটি রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে ডিওয়াইএফআই সমর্থকদের ভিড় জমে বঙ্গভবনের সামনে। ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা করার পাশাপাশি স্লোগান ওঠে ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুর্দাবাদ’। যদিও পুলিশের তৎপরতায় ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা ব্যর্থ হলে সেখানেই বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন পড়ুয়ারা। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বামেদের বিক্ষোভের জেরে মঙ্গলবার সরগরম হয়ে রইল রাজধানী দিল্লি।

আরও পড়ুন:ব-বাংলা, দ-দিদি, ম-মমতা, খ-খেলা হবে, ল-লাভলী! বাগদেবীর সামনে “হাতেখড়ি” মদনের

উল্লেখ্য, চাকরি শিক্ষাসহ একাধিক দাবিতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল বামেদের একাধিক সংগঠন। বামেদের সেই মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। পাশাপাশি বিক্ষোভ সামলাতে কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। সেদিনের ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন বাঁকুড়ার মইদুল ইসলাম নামে এক যুবক। সম্প্রতি তার মৃত্যুতে রীতিমতো সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। ওই ঘটনার প্রতিবাদে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্য জুড়ে থানা ঘেরাও কর্মসূচির পাশাপাশি ১৮ ফেব্রুয়ারি গোটা রাজ্যের রেল অবরোধের ডাক দিয়েছে ডিওয়াইএফআই।

Advt