বহিরাগত শক্তির কাছে মাথা নত না করার আহ্বান অভিষেকের

আগামীকাল প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু। তার আগে শুক্রবার বিষ্ণুপুরে নির্বাচনী প্রচারে গেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘বহিরাগত শক্তির কাছে মাথা নত নয়। দিল্লির কাছে আত্মসমর্পণ নয়। মানুষের পাশে নেই বিষ্ণুপুরের সাংসদ। লকডাউনের সময়ে ছিলেন না বিজেপি সাংসদ। মোদির আমলে সারা দেশে বেকারত্ব বেড়েছে। তৃণমূলের আমলে বাংলায় বেকারত্ব কমেছে।’
তিনি বলেন, ১ জুন থেকে রাজ্যবাসীর প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে ৫০০ টাকা এবং ওবিসিদের ১০০০ টাকা করে দেবে রাজ্য সরকার।
এদিন অভিষেক বলেন, ভোট নিয়ে চলে যাওয়ার পরে বিজেপি সাংসদকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। করোনার সময় এলাকার মানুষের পাশে ছিল তৃণমূল।
তিনি বলেন, “১ তারিখ দেখা হবে আর ২ তারিখ বিশ্বাসঘাতকদের বিসর্জন হবে।’’
বিজেপি (Bjp)-তে যাওয়ার পর শুভেন্দু সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করছেন বলে অভিযোগ করেন অভিষেক।
তিনি বলেন, “বিজেপির ইস্তেহার অডিও ক্যাসেট, শুধু শোনা যায়, চোখে দেখা যায় না। আর তৃণমূলের ইস্তেহার হাই কোয়ালিটির ডিভিডি। শুনতেও পাবেন, দেখতেও পাবেন”। সরকারে এলেও ইস্তাহারের কোনও প্রতিশ্রুতিই পূরণ করবে না গেরুয়া শিবির, অভিযোগ অভিষেকের।
সুন্দরবনকে আলাদা জেলা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিজেপি বাংলার মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছে বলে জানান অভিষেক। তাঁর দাবি, তৃণমূলের ইস্তাহার বিজেপির ঘুম উড়িয়েছে।
তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা বলেন তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেন। আয়ুষ্মান ভারত ও স্বাস্থ্যসাথীর পার্থক্য তুলে ধরে মোদি সরকারকে আক্রমণ করেন অভিষেক।

Advt