মোদি-হাসিনা বৈঠকে তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি কতখানি এগোবে! জল্পনা সব মহলেই

তিস্তার জলের উপর বাংলাদেশের(Bangladesh) দাবি দীর্ঘদিনের। তবে নানান সমস্যার জেরে এখনো পর্যন্ত সফল হয়নি ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি(Teesta water supply contract)। এই অবস্থার মাঝেই বাংলাদেশ সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির(Narendra Modi)। অনুমান করা হচ্ছে শনিবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠকে থাকবে তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি প্রসঙ্গ। যদিও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের এই দাবি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনায় কতখানি অগ্রসর হবে সেদিকে নজর রয়েছে দুই দেশের।

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে শুক্রবার দু’দিনের সফরে বাংলাদেশে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই দুদিনের সফরে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারকের পাশাপাশি কয়েকটি উদ্যোগের উদ্বোধন করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী(Indian Prime Minister)। এরমধ্যে রয়েছে মেহেরপুরে স্বাধীনতা সড়ক, স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত ভারতীয় সৈনিকদের সম্মানে আশুগঞ্জে স্মৃতিসৌধ, কুষ্টিয়ায় কুঠিবাড়ি সংস্কার, একাধিক বর্ডার হাট, বঙ্গবন্ধুর উপর স্ট্যাম্প ও নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত যাত্রীবাহি ট্রেন উদ্বোধন। এর পাশাপাশি কূটনৈতিক মহলের অনুমান এই সফরে রোহিঙ্গা ইস্যু ও তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে। যদি দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে এই চুক্তি নতুন করে ফের অগ্রসর হয় সেক্ষেত্রে এই চুক্তির বাস্তবায়নে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা থাকবে।

আরও পড়ুন:ওরা হেঁটে এলে যেন হেঁটে ফিরতে না পারে”, ফের বিতর্ক দিলীপের কথায়

উল্লেখ্য, দুই দেশের সীমান্তে শান্তিপূর্ণ ছিট মহল বিনিময় সহ একাধিক সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সফলভাবে সম্পন্ন করেছে ভারত ও বাংলাদেশ। যদিও দীর্ঘ আলোচনাতেও ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি সাফল্যের মুখ দেখেনি। এই চুক্তি প্রসঙ্গে, দিল্লিতে সর্বশেষ বৈঠকে এই চুক্তিতে আপত্তি জানিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরেই ভেস্তে যায় বৈঠক। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিস্তার বদলে অন্য নদীর জল নিতে পারে বাংলাদেশ। এহেন অবস্থার মাঝে প্রধানমন্ত্রীর এই বাংলাদেশ সফরে প্রতিবেশী দেশের দীর্ঘদিনের এই দাবি আদৌ কতখানি মান্যতা পায় সেদিকে নজর রয়েছে দুই দেশের।

Advt