দিনহাটাকাণ্ডের মিথ্যা ফাঁস, নাকখত দিয়ে ক্ষমা চাক বিজেপি: কুণাল

ভোটের আগে দিনহাটায় বিজেপি (Bjp) নেতার মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে শাসকদলের বিরুদ্ধে ঝড় তুলতে চেয়েছিল গেরুয়া শিবির। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, সেই ঘটনা আত্মহত্যার; খুনের নয়। এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরেই পূর্ব মেদিনীপুরে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল (Tmc) মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। তিনি বলেন, বরাবর মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করতে চায় বিজেপি। তাদের দলের নেতা-কর্মীদের মৃত্যুর দায়ে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে চায় তৃণমূলকে। কিন্তু তদন্তে দেখা যায়, সেই মৃত্যুর সঙ্গে শাসকদলের কোনও যোগ নেই। “এই ধরনের কুৎসা-অপপ্রচার জন্য রাজ্যের মানুষের কাছে নাকখত দিয়ে ক্ষমা চাক বিজেপি”।

সব জায়গাতেই বিভেদের রাজনীতি করছে গেরুয়া শিবির। এই ধরনের মিথ্যাচারকে বয়কট করে, নিজেদের অধিকার বজায় রাখতে এবং সব ধরনের সরকারি পরিষেবা পেতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করে নবান্নে পাঠানোর ডাক দেন কুণাল। তিনি বলেন, নিজেদের অধিকার অটুট রাখতে তৃণমূল প্রার্থীদের জয়ী করতে হবে।

সোমবার, পূর্ব মেদিনীপুর (East Midnapur) জুড়ে তিনটি সভা করেন কুণাল ঘোষ। হিজেলবেড়িয়া, মহিষাদলের রথতলা ও হলদিয়ার চকলালপুরে পরপর সভা করেন তিনি। দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে তৃণমূল মুখপাত্রর এই সভাগুলিতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যায় স্থানীয় বাসিন্দারা যোগ দেন প্রচার সভাগুলিতে। প্রত্যেকটি সভাতেই মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শেষবেলায় সভা শুরু করেছিলেন কুণাল। যখন হলদিয়ার সভায় পৌঁছন তখন সন্ধে নেমেছে। কিন্তু জনসভার ভিড়ে তার এতটুকুও ছাপ পড়েনি। বরং দুপুরের তাপ কমায় আরও বেশি মানুষ জড়ো হন চকলালপুরের প্রচার সভায়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Bandopadhyay) জনকল্যাণমূলক কাজের খতিয়ান তুলে ধরার পাশাপাশি, কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস এবং পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সরব হন কুণাল ঘোষ। সভায় উপস্থিত জনতা আওয়াজ তোলে “খেলা হবে”।

Advt