সংসদের আস্থাভোটে বিপুল ব্যবধানে হারলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলি

নেপালের সংসদে (Nepal parliament) আস্থাভোটে বিরাট ব্যবধানে পরাজিত হলেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি (prime minister KP Sharma oli)। ফলে ওলিকে এবার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতেই হবে। এরই সঙ্গে নেপালে দু বছরের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের ইতি হল বলে মনে করা হচ্ছে। বিগত কয়েক মাস ধরে তাঁর নিজের দলের নেতারাই ওলির পদত্যাগ দাবি করছিলেন। শেষ পর্যন্ত এ দিন আস্থাভোটেই হেরে গেলেন তিনি। সোমবার নেপালের সংসদে আস্থাভোটে মোট ২৩২ জন সাংসদ অংশ নিয়েছিলেন। এদের মধ্যে ১২৪ জন ওলির বিরুদ্ধে ভোট দেন। ৯৩ জন তাঁর পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন । আর ১৫ জন সাংসদ ভোটাভুটি থেকে বিরত ছিলেন। ক্ষমতায় টিকে থাকতে হলে কমপক্ষে ১৩৬ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন ছিল ওলির। কিন্তু, ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছনোর আগেই থমকে যেতে হয় তাঁকে। নেপালের সংবিধান অনুযায়ী, আজ থেকে ওলিকে ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা পালন করতে হবে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি বিরোধীদের ডেকে সংখ্যারগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে বলবেন। বিরোধীরা যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে ফের সাধারণ নির্বাচনের পথে যেতে হবে নেপালকে।

এদিকে, ভারতের বিদেশমন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টির উপর ভারত তীক্ষ্ণ নজর রেখেছিল। এবং ভবিষ্যতেও রাখবে কারণ ওলি বরাবরই চিন ঘনিষ্ঠ নেতা হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক সময়ে নানা ঘটনায় ওলি একাধিক ভারত বিরোধী মন্তব্য করেছেন। আর সেই সব এর পিছনে চীনের মদত ছিল বলে মনে করে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ মহল। তাই নেপালের এই রাজনৈতিক পালাবদল এর সময় চিন কি করে সেদিকে নজর রাখছে ভারত।