“নিরুদ্দেশ” রাজীব খোঁজ নেন না রুদ্রনীল-বৈশালীদের, ফোন ধরেন না বিজেপি নেতাদের

রাজ্যের প্রাক্তন সেচ ও বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় কি “নিরুদ্দেশ”? প্রশ্ন খোদ বিজেপি নেতাদের! বিধানসভা ভোটে গো-হারা হারের পর ডোমজুড়ের প্রাক্তন বিধায়ক নাকি বেপাত্তা! দলের কোনও নেতার ফোন তিনি ধরছেন না। এমনকী দলের কোনও মিটিংয়েও যোগ দেন না। গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে কার্যত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন তাঁর। এমন দাবি দলের রাজ্য নেতাদেরই। তাঁদের আরও দাবি, তৃণমূলে ফেরার রাস্তা তৈরিতেই এখন মনোনিবেশ করেছেন রাজীব। তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে নাকি গোপনে যোগাযোগও করছেন তিনি।

ভোটের আগে দলবদলের পর বিধানসভায় নিজের কক্ষ থেকে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি বগলদাবায় করে নিয়ে গিয়েছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তখনই রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন ছিল, ভোটের ফলাফল বিজেপির বিরুদ্ধে গেলে ঘরে ফেরার পথ করে রাখলেন রাজীব। আবার ভোটে হারার পর রাজীব গলাতেই মুখ্যমন্ত্রীর প্রশস্তি শোনা গিয়েছিল। বলেছিলেন, “যতদিন বাঁচবো, ততদিন আমি দিদিকে শ্রদ্ধা করব”। তবে ফের তৃণমূলে তিনি যাচ্ছেন বা তৃণমূল তাঁকে ফিরিয়ে নেবে তেমন কিছু এখনও পর্যন্ত শোনা যায়নি।

এদিকে রাজীবের প্রতি আক্ষেপ বা অভিযোগের সুর শোনা গেল তাঁরই দুই অনুগামী বিজেপির দুই হেরো প্রার্থীর গলায়। বিধানসভা ভোটে ভবানীপুরে বিজেপির সেলিব্রিটি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, “ভবানীপুরে আমি ত্রাণ দিতে গিয়ে তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত হই, বিজেপির অন্য নেতারা ফোন করে খোঁজ নিলেও রাজীবদা একটিবারের জন্যও ফোনও করেননি।” রাজীবের জেলা হাওড়ার বালির বিজেপি প্রার্থী বৈশালী ডালমিয়া যথারীতি ক্ষুব্ধ। বৈশালীর কথায়, “আমার ছেলে গুন্ডাদের হাতে মার খেলো, অথচ রাজীবদা একবারও খোঁজ পর্যন্ত নিল না।” সব মিলিয়ে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতিগতি নিয়ে প্রশ্ন ও গুঞ্জন গেরুয়া শিবিরের অন্দরেই।

আরও পড়ুন- দেশে টিকার আকাল আর অন্য দেশে দান করা ভ্যাকসিন পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে!

Advt