মুসলিম বিধায়কদের বিধানসভার ভেতর একটি ঘর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে নমাজ (Namaz) পড়ার জন্য৷ সেই নিয়ে সোমবার থেকে তুলকালাম শুরু হয়েছে ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand)৷ বিতর্কের জল গড়িয়েছে আদালত অবধি৷ স্পিকারের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা করেছে বিজেপি (BJP)৷ তাঁদের প্রশ্ন, সংসদে জয় শ্রীরাম স্লোগান দেওয়ার সময় ধর্মনিরপেক্ষ নেতারা রে রে করে তেড়ে এসেছিলেন৷ এবার কেন তাঁদের টিকি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না?
রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে৷ পিটিশনে দাবি করা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত দেশের ধর্মনিরপেক্ষতায় আঘাত হানবে৷
সোমবার থেকে ঝাড়খণ্ডে শুরু হয়েছে বাদল অধিবেশন৷ অধিবেশন শুরুর আগে থেকে বিজেপি বিধায়করা প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন৷ বিধানসভায় প্রবেশের মুখে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে ‘হনুমান চালিশা’ এবং ‘হরে রাম হরে কৃষ্ণ’ মন্ত্র পাঠ করেন তাঁরা৷ তার পর অধিবেশন শুরুর পর ওয়েলে নেমে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে থাকেন৷ বিজেপি বিধায়কদের দাবি, হয় রাজ্য সরকারকে তাদের সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হঠতে হবে৷ অথবা ‘নমাজ রুমের’ নাম বদলে ‘প্রার্থনা ঘর’ করতে হবে৷ বিজেপি বিধায়ক সিপি সিংয়ের কথায়, ‘আমার মতে বিধানসভা চত্বরে একটা সুবিশাল মন্দির থাকা উচিত৷’
পটনার বিজেপি বিধায়ক হরিভূষণ ঠাকুর বলেছেন, ‘তাহলে আমাদেরও হনুমান চালিশা এবং গীতা পাঠ করার জন্য বিধানসভার ভেতর ঘর দিতে হবে৷’






