নেতাজি ইণ্ডোর স্টেডিয়ামে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে গত মঙ্গলবার কোভিডবিধি মেনে পুজো করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি পুজোকে কেন্দ্র করে যে বিপুল পরিমাণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চলে, তা অব্যাহত রাখতে যথাসম্ভব পদক্ষেপ করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। সেই ভাবে সমস্ত সর্তকতা বজায় রেখে এখন থেকে পুজোর আয়োজনে উপর নজর রাখতে জেলাগুলিকে নির্দেশ দিল নবান্ন।জেলাশাসকদের সঙ্গে এ বিষয়ে নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন মুখ্যসচিব এইচকে দ্বিবেদী। নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি তিনি জানিয়ে দেন, গত বছরের মতোই কোভিডবিধি মেনে পুজো মণ্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার দেওয়া হবে কিনা, রাতে প্রতিমা দর্শন করতে দেওয়া হবে কিনা সে বিষয়ে কয়েকদিনের মধ্যেই বিস্তারিতভাবে নির্দেশিকার মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। মুখ্যসচিবের নির্দেশ, পুজো মণ্ডপে তিনদিক পুরোপুরি খোলা রাখতে হবে, যাতে কোভিডবিধি মেনে দর্শনার্থীরা প্রতিমা দর্শন করতে পারেন।গত বছরের মতো জেলার ক্লাবগুলিকেও ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে। জেলাশাসকদের দেখতে হবে কোভিডবিধি মেনে ক্লাবগুলি মণ্ডপ তৈরি করছে কিনা, নিয়মিত স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা থাকছে কিনা। একইসঙ্গে দর্শনার্থীদের জন্য মাস্ক এবং স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে উদ্যোক্তাদের। মণ্ডপে আগতরা যাতে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখেন এবং মাস্ক পরেন সেই বিষয়ে দেখার দায়িত্ব ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবকদের নিতে হবে। এ দিনে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্যও শোনানো হয়। মুখ্যসচিব বিভিন্ন জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, কমিশনারেটের কমিশনারদের নিয়েও বৈঠক করেন। প্রায় এক ঘন্টা সেই বৈঠক হয় বলেই নবান্ন সূত্রে খবর। এবারের পরিস্থিতি গতবারের মতো নয়। গতবছর অনেক বেশি কনটেনমেন্ট জোন ছিল, কোভিড আক্রান্তের সংখ্যাও অনেকটাই বেশি ছিল। সেই ভয়ে অনেকেই ভয়ে বেরোননি। কিন্তু এবার একদিকে ভ্যাকসিনেশন হয়েছে। এবং করোনার গ্রাফ অনেকটাই নীচে নেমেছে। তাই গতবারের তুলনায় অনেক বেশি মানুষ পুজোয় পথে নামবে বেরোবে। সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে বলছেন মুখ্যসচিব।











