Tuesday, June 23, 2026

KMC 31: উন্নয়ননের শেষ নেই, বিধায়ক-কাউন্সিলরের পার্থক্য নেই: পরেশ পাল

Date:

Share post:

আসন্ন কলকাতা পুরভাটে (KMC Election) শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) ৬ জন বিধায়ককে (MLA) নির্বাচনে লড়ার টিকিট দিয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম বেলেঘাটার দাপুটে বিধায়ক পরেশ পাল (Paresh Paul)। লড়াকু এই নেতা এবার তৃণমূলের প্রতীকে ৩১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রার্থী হয়েছেন। খুব স্বাভাবিকভাবেই নজরকাড়া প্রার্থীদের মধ্যেই রয়েছেন পরেশ পাল। এবার তিনি যে ওয়ার্ড থেকে প্রার্থী হয়েছেন সেখানে প্রবল তৃণমূল ঝড়ের মধ্যেও একুশের বিধানসভা ভোটে এগিয়ে ছিল রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি (BJP)। ফলে বহু যুদ্ধের নায়ক পোড় খাওয়া পরেশবাবুর সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ।

যদিও পরেশ পাল মনে করছেন, বিধানভোটে মানুষ বিভ্রান্ত ছিল। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেকে ভুল বুঝে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু পরের ৬ মাসে সেই পরিস্থিতি একেবারে বদলে গিয়েছে। ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষ বুঝতে পেরেছেন, রাজ্যের উন্নয়নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিকল্প কেউ নেই। তাই এবার ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই থাকবেন। উন্নয়নের স্বার্থে তৃণমূল প্রার্থীকেই আশীর্বাদ করবেন।

বিধায়ক হয়েও কাউন্সিলর ভোটে লড়ছেন। পরেশ পালের বক্তব্য, মানুষকে পরিষেবা দেওয়াটাই বড় কথা। একজন বিধায়ক হয়ে নিজের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কাউন্সিলর হয়ে রাস্তায় নেমে কাজ করলে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। আর তিনি নিজেকে লো-প্রোফাইল রেখেই মানুষের জন্য কাজ করতে অভ্যস্ত।

বাম আমলে ১৯৮৫ সাল থেকে ভোটে লড়ছেন পরেশ পরেশ পাল। ফলে সংসদীয় রাজনীতি তাঁর হাতের তালুর মতো চেনা। নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে বুঝেছেন, এবার ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলই জিতবে। প্রার্থী যেই হোন, মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে ভোট দেবেন।

কখনও বিধায়ক, কখনও কাউন্সিলর, দীর্ঘদিন নির্বাচিত জন প্রতিনিধি হয়ে মানুষের জন্য কাজ করছেন। নিজের অনুভূতি ইয়ে পরেশ পাল বলেন, “আমি সবসময় অন্যরকম।

মাটিতে পা রেখে সবাইকে নিয়ে চলতে ভালবাসি। নিজেকে কোনওদিন আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের থেকে আলাদা ভাবিনি। কাজ আর উন্নয়নের কোনও সীমারেখা নেই। আমি একটা সময় অ্যাম্বুলেন্স চালিয়ে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছি। ডেড বডি গাড়িতে করে পৌঁছে দিয়েছি শ্মশানে। অটো চালিয়েছি। যে সমস্যা চোখে পড়বে, দ্রুত তার সমাধানের চেষ্টা করব। আমি তো কোনও কোম্পানির বিজনেস করছি না যে টার্গেট বেঁধে কাজ করতে হবে।”

৩১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে নির্বাচিত হলে কোন কাজটিকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেবেন? পরেশ পাল জানালেন, কলকাতার অন্য অনেক জায়গায় মতো এই ওয়ার্ডে অল্প বৃষ্টিতে ‌জল জমার একটু সমস্যা রয়েছে, তার সমাধান আগে করার চেষ্টা করবেন।

আরও পড়ুন- Chief Minister: চিপ কথা বলবেন না: প্রশাসনিক বৈঠক থেকে বিধায়ককে কড়া ধমক মুখ্যমন্ত্রীর

Related articles

‘অভিষেকেই’ ঝোড়ো ব্যাটিং: বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়ক কুণালকে সামলে হিমশিম স্পিকার-সহ শাসকশিবির

এর আগে রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার অভিজ্ঞতা আছে। কিন্তু বিধানসভায় (Assembly) এই প্রথম। আর অভিষেকেই ঝোড়ো ব্যাটিং বেলেঘাটার তৃণমূল...

বেআইনিভাবে প্রশাসনের নাকের ডগাতেই চলছিল রমরমিয়ে কোচিং ক্লাস

চরম গাফিলতি! জ্বলছে বিল্ডিং কিন্তু পালানোর পথ নেই। নীচে নামার একমাত্র (Lucknow Fire Tragedy) সিঁড়ি ধোঁয়া ও আগুনের...

শ্যামাপ্রসাদের প্রয়াণ দিবসে জোড়়া কর্মসূচি, পূর্বতন ২ সরকারকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর

মঙ্গলবার  সকালে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের  প্রয়ান দিবস উপলক্ষ্যে জোড়়া কর্মসূচিতে অংশ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী(Suvendu Adhikari )। প্রথমে ক্যাওড়াতলা...

৩ মাস ধরে নিখোঁজ, দুর্গাপুরের পড়ুয়া তরুণীর খোঁজ মিলল বিধাননগরে

তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে নিখোঁজ, এদিকে মেয়ের খোঁজ পেতে তাঁর ছবি দেওয়া প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে রাস্তায় ঘুরছিলেন অসুস্থ...