Thursday, May 21, 2026

KMC 81: এক ফোনেই মুশকিল আসান, পুরভোটে উন্নয়নই হাতিয়ার জুঁইয়ের

Date:

Share post:

ছোট থেকেই রাজনৈতিক পরিবারে বড় হয়ে ওঠা। বিয়ের পরও রাজনৈতিক পরিসরে আবর্তিত তাঁর জীবন। ম্যানেজমেন্ট-এর কৃতী ছাত্রী হয়েও রাজনীতি তাঁর প্রথম পছন্দ। মানুষের পাশে দাঁড়াতে, মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে তাই সক্রিয় রাজনীতির ময়দানকেই বেছে নিয়েছিলেন জুঁই বিশ্বাস (Jui Biswas)। এবং সেখানেও তিনি সফল। শুধু কাউন্সিলর নয়, এই ১০ বছরে সকলের প্রিয় জুঁই ঘরের মেয়ে হয়ে উঠেছেন।

২০১০ ও ২০১৫, পরপর দু’বার কলকাতা পুরসভার (KMC Election) ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের জনপ্রিতিনিধি হয়েছেন জুঁই। আসন্ন পুরভোটে ফের তাঁকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল (TMC)। নিউ আলিপুর চত্বরে ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বড় অংশ জুড়ে যেমন উচ্চবিত্ত মানুষের বাস, ঠিক অন্যদিকে নিম্নবিত্ত মানুষও রয়েছেন। গত ১০-১২ বছরে পৌরমাতা হিসেবে বিভিন্ন সময়ে সকলের পাশে দাঁড়িয়েছেন জুঁই।

তাঁর হাত ধরে কলকাতা শহরের সবচেয়ে বড় কমিউনিটি হল হয়েছে ৮১ নম্বর ওয়ার্ডে। যেখানে কার্যত ফাইভ স্টার ফেসিলিটি পাওয়া যায় পুরসভার রেটেই। মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্তরা এই কমিউনিটি হলের সুবিধা সবচেয়ে বেশি পেয়ে থাকেন। এছাড়া সমস্ত বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছে পরিশ্রুত পানীয় জল। সুফল বাংলা ও হরিনঘাটার দুটি করে স্টল হয়েছে। চারটি কমপেক্টর মেশিন বসেছে। এলাকায় অনেক পার্ক রয়েছে, প্রচুর গাছপালা রয়েছে। এই সবকিছুর সংস্কার ও সৌন্দর্যায়ন করেছেন জুঁই বিশ্বাস।

আরও পড়ুন-UAE: কর্মদক্ষতা বাড়াতে সরকারি কর্মীদের সাপ্তাহিক কাজের সময় কমলো, ছুটি রবিবারও

কাজ অনেক হলেও জুঁই একেবারেই দাবি করতে নারাজ, সবকিছু হয়ে গিয়েছে। আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই। একইভাবে উন্নয়নের কোনও নির্দিষ্ট সীমারেখা নেই। কলকাতার সামগ্রিক একটি সমস্যা বৃষ্টিতে জল জমা। ব্যতিক্রম নয় ৮১ নম্বর ওয়ার্ড। এখানেও অল্প বৃষ্টিতে জল জমে যায়। জুঁই জানালেন, জল জমার সমস্যা ওয়ার্ডে আছে। তবে তা আগের তুলনায় অনেকটাই কমানো গিয়েছে। তিনি ফের নির্বাচিত হয়ে এলে জমা জল সমস্যার সমাধান আগামী ৫ বছরে তাঁর কাজে অগ্রাধিকার পাবে।

মাঝে দু’বছর করোনা ও আমফানের জোড়া বিপর্যয়ের মধ্যে রাস্তায় ছিলেন জুঁই। যখনই মানুষ বিপদে পড়েছেন, এক ফোনে ছুটে গিয়েছেন তিনি। করোনা ও লকডাউনের সময় এলাকার মানুষের বাড়ি বাড়ি তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা নিখরচায় ওষুধ পৌঁছে দিয়েছেন। এলাকায় কমিউনিটি কিচেন করেছেন জুঁই। পাশাপাশি, রাজ্য সরকারের সামাজিক প্রকল্পগুলি মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে দিয়েছেন ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাস।

এলাকার মানুষ বলছেন, জুঁইয়ের সবচেয়ে বড় গুণ, তিনি ধৈর্য্য ধরে মানুষের সমস্যার কথা শোনেন। ঠাণ্ডা মাথায় তা সমাধানের চেষ্টা করেন। ৩৬৫ দিন ২৪ ঘন্টা একটি ফোনেই তাঁকে পাশে পাওয়া যায়। তাই ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষ বলছেন, “এক ফোনেই পাশে পাই, জুহি বিশ্বাসকে আবার চাই”!

Related articles

দুর্নীতিগ্রস্তদের দায় নেব না: সময় বেঁধে সরব ঋতব্রত

তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার পরে একাধিক অভিযোগে দলের ভিতরের সদস্যরাই সরব হয়েছেন। এমনকি সাম্প্রতিক সময়ে...

IPL: ইডেনে মুম্বই বধ, প্লে অফের আশা জিইয়ে রাখল কেকেআর

  আইপিএলে প্লে অফের আশা জিইয়ে রাখল কেকেআর। বুধবার ঘরের মাঠে বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স-র বিরুদ্ধে ৪ উইকেটে...

জাতীয় শিক্ষানীতি কার্যকর করতে তৎপর রাজ্য, জট কাটাতে বৈঠক সুকান্ত-শুভেন্দুর 

জাতীয় শিক্ষানীতি সহ শিক্ষার উৎকর্ষে কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প এবার এরাজ্যেও কার্যকর হতে চলেছে। বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী...

হকার উচ্ছেদ ও ‘বুলডোজার নীতি’র প্রতিবাদ! বৃহস্পতিবার পথে নামছে তৃণমূল

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অবৈধ নির্মাণ ও রেলের জায়গা থেকে হকার উচ্ছেদের নামে নব্য বিজেপি সরকারের ‘বুলডোজার নীতি’র...