Wednesday, May 27, 2026

KMC 81: এক ফোনেই মুশকিল আসান, পুরভোটে উন্নয়নই হাতিয়ার জুঁইয়ের

Date:

Share post:

ছোট থেকেই রাজনৈতিক পরিবারে বড় হয়ে ওঠা। বিয়ের পরও রাজনৈতিক পরিসরে আবর্তিত তাঁর জীবন। ম্যানেজমেন্ট-এর কৃতী ছাত্রী হয়েও রাজনীতি তাঁর প্রথম পছন্দ। মানুষের পাশে দাঁড়াতে, মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে তাই সক্রিয় রাজনীতির ময়দানকেই বেছে নিয়েছিলেন জুঁই বিশ্বাস (Jui Biswas)। এবং সেখানেও তিনি সফল। শুধু কাউন্সিলর নয়, এই ১০ বছরে সকলের প্রিয় জুঁই ঘরের মেয়ে হয়ে উঠেছেন।

২০১০ ও ২০১৫, পরপর দু’বার কলকাতা পুরসভার (KMC Election) ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের জনপ্রিতিনিধি হয়েছেন জুঁই। আসন্ন পুরভোটে ফের তাঁকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল (TMC)। নিউ আলিপুর চত্বরে ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বড় অংশ জুড়ে যেমন উচ্চবিত্ত মানুষের বাস, ঠিক অন্যদিকে নিম্নবিত্ত মানুষও রয়েছেন। গত ১০-১২ বছরে পৌরমাতা হিসেবে বিভিন্ন সময়ে সকলের পাশে দাঁড়িয়েছেন জুঁই।

তাঁর হাত ধরে কলকাতা শহরের সবচেয়ে বড় কমিউনিটি হল হয়েছে ৮১ নম্বর ওয়ার্ডে। যেখানে কার্যত ফাইভ স্টার ফেসিলিটি পাওয়া যায় পুরসভার রেটেই। মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্তরা এই কমিউনিটি হলের সুবিধা সবচেয়ে বেশি পেয়ে থাকেন। এছাড়া সমস্ত বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছে পরিশ্রুত পানীয় জল। সুফল বাংলা ও হরিনঘাটার দুটি করে স্টল হয়েছে। চারটি কমপেক্টর মেশিন বসেছে। এলাকায় অনেক পার্ক রয়েছে, প্রচুর গাছপালা রয়েছে। এই সবকিছুর সংস্কার ও সৌন্দর্যায়ন করেছেন জুঁই বিশ্বাস।

আরও পড়ুন-UAE: কর্মদক্ষতা বাড়াতে সরকারি কর্মীদের সাপ্তাহিক কাজের সময় কমলো, ছুটি রবিবারও

কাজ অনেক হলেও জুঁই একেবারেই দাবি করতে নারাজ, সবকিছু হয়ে গিয়েছে। আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই। একইভাবে উন্নয়নের কোনও নির্দিষ্ট সীমারেখা নেই। কলকাতার সামগ্রিক একটি সমস্যা বৃষ্টিতে জল জমা। ব্যতিক্রম নয় ৮১ নম্বর ওয়ার্ড। এখানেও অল্প বৃষ্টিতে জল জমে যায়। জুঁই জানালেন, জল জমার সমস্যা ওয়ার্ডে আছে। তবে তা আগের তুলনায় অনেকটাই কমানো গিয়েছে। তিনি ফের নির্বাচিত হয়ে এলে জমা জল সমস্যার সমাধান আগামী ৫ বছরে তাঁর কাজে অগ্রাধিকার পাবে।

মাঝে দু’বছর করোনা ও আমফানের জোড়া বিপর্যয়ের মধ্যে রাস্তায় ছিলেন জুঁই। যখনই মানুষ বিপদে পড়েছেন, এক ফোনে ছুটে গিয়েছেন তিনি। করোনা ও লকডাউনের সময় এলাকার মানুষের বাড়ি বাড়ি তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা নিখরচায় ওষুধ পৌঁছে দিয়েছেন। এলাকায় কমিউনিটি কিচেন করেছেন জুঁই। পাশাপাশি, রাজ্য সরকারের সামাজিক প্রকল্পগুলি মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে দিয়েছেন ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাস।

এলাকার মানুষ বলছেন, জুঁইয়ের সবচেয়ে বড় গুণ, তিনি ধৈর্য্য ধরে মানুষের সমস্যার কথা শোনেন। ঠাণ্ডা মাথায় তা সমাধানের চেষ্টা করেন। ৩৬৫ দিন ২৪ ঘন্টা একটি ফোনেই তাঁকে পাশে পাওয়া যায়। তাই ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষ বলছেন, “এক ফোনেই পাশে পাই, জুহি বিশ্বাসকে আবার চাই”!

Related articles

অবমাননা ও উস্কানির অভিযোগ: গতবছরের ঈদের বক্তব্যে মমতার বিরুদ্ধে থানায় আইনজীবী

ঈদে রেড রোডের নামাজের অনুষ্ঠানে নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষের বিরুদ্ধে অবমাননা ও উস্কানির অভিযোগ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata...

হুমকি দিয়ে ফতোয়া জারি করে হাওড়ার মঙ্গলাহাট দখল বিজেপির

চিত্রনাট্য তৈরি ছিল আগেই। লোক দেখানো প্রশাসনিক বৈঠক করে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল ব্যবসায়ীদের। কিন্তু অবশেষে নিজেদের...

পরিষেবা দিয়ে যান: মেয়র ও পারিষদদের বৈঠকে নির্দেশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

কলকাতা পুরসভার নির্বাচিত সদস্যদের মেয়াদ শেষের আগেই নজিরবিহীন অচলাবস্থা। ঘোষিত কর্মসূচি বাতিল করে দিচ্ছেন আধিকারিকরা। কিন্তু এই পরিস্থিতির...

লালবাজারে মুখ্যমন্ত্রী: সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবারের ঈদের নামাজ নিয়ে

রেড রোডে যে ঈদের নামাজ হবে না, আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল কলকাতা পুলিশ। এবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডেই যে...