Gangasagar: কোভিডবিধি মেনে ফাঁকা গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নান, স্বস্তিতে প্রশাসন

করোনাবিধির কড়াকড়িতে এবারের গঙ্গাসাগর অনুষ্ঠিত হল ঠিকই, কিন্তু কোথাও যেন হারিয়ে গেল চেনা ছন্দ। সঙ্গে দোসর ছিল বিরূপ প্রকৃতি। ভোর থেকেই দফায় দফায় বৃষ্টি।

এবার মকর সংক্রান্তিতে প্রায় ফাঁকা থেকে গেল গঙ্গাসাগর (Gangasagar)। অন্যবারের তুলনায় ভিড় ছিল অনেক কম। তবু যারা এসেছিলেন, করোনার ভয় তাদের তাড়া করে ফিরেছে।হই হই করে পুণ্যস্নান, মেলার এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত ঘুরে বেড়ানো, সাধুসন্তদের আখড়ায় গিয়ে আশীর্বাদ নেওয়া ; সবের মধ্যেই যেন ছন্দটাই হারিয়ে গিয়েছে এবারের মেলা থেকে।

বেলা গড়িয়েছে আর বৃষ্টি বেড়েছে। ততই ফাঁকা হয়ে গিয়েছে মেলা চত্বর। সাধু, সন্ত ও তীর্থযাত্রীরা দ্রুত ফিরে গিয়েছেন। ভিড়ের আশায় থাকা ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত। তাদের খরচটুকুও ওঠেনি।

হতাশ নাগা সাধুরাও। অধিকাংশ পুণ্যার্থীই এবার তাদের আখড়ার পথও মারান নি। অবশ্য প্রশাসনের তরফে সব রকমের ব্যবস্থা ছিল। বিভিন্ন ভাষায় কোভিডের (COVID-19) বিষয়ে সচেতন করা হয়েছে মেলায়। আগত পুণ্যার্থীরা কোথাও যেন করোনার ভয়ে কাঁটা হয়েছিলেন। মাস্ক পরেই পুণ্যস্নান করেছেন পুণ্যার্থীরা। ব্যতিক্রমী কিছু পুণ্যার্থী ছাড়া, সবার সঙ্গে ছিল আরটিপিসিআর পরীক্ষার ছাড়পত্র।
প্রশাসনের তরফে হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ভ্যাকসিনেশনের কাগজ খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে এই কাজ চালিয়েছেন প্রশাসনের কর্মীরা।
শুক্রবার তিনজনকে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাওড়া হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছেন উত্তরপ্রদেশের সাবিত্রী শিকারাম বাউনি। ৭৫ বছরের মহিলা পড়ে গিয়ে হাঁটুতে চোট পান।তাকে কলকাতায় চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়েছে।
গঙ্গাসাগর মেলায় রাজ্য সরকারের ব্যবস্থাপনায় খুশি বিজেপি নেত্রী। কোভিড মোকাবিলায় যে ব্যবস্থাপনা নিয়েছে রাজ্য সরকার, তা প্রশংসার যোগ্য এমনটাই বলেন মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উমা ভারতী। এদিন কপিলমুনির মন্দিরে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে তিনিও পুজো দেন। রাজ্য সরকারের ব্যবস্থা নিয়ে রীতিমতো প্রশংসা শোনা যায় বিজেপি নেত্রীর গলায়। সবমিলিয়ে স্বস্তিতে প্রশাসনও।

 

Previous articleদমদম বিমানবন্দরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, ট্রাক উলটে মৃত্যু অস্থায়ী কর্মীর