Site Logo

বিদ্রোহীদের বিজেপি নেবে না: শান্তুনুর দাবি, 'মডেল' নিয়ে প্রশ্ন কুণালের

EBBS Desk·
বিদ্রোহীদের বিজেপি নেবে না: শান্তুনুর দাবি, 'মডেল' নিয়ে প্রশ্ন কুণালের

সংসদে তৃণমূল বিরোধিতায় নামা রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদরা পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু লোকসভার তৃণমূল সাংসদরা এখনও পদ আঁকড়েই এনডিএ-তে ঝুঁকেছেন। তাঁদের লোকসভায় ভবিষ্যৎ কি তা আইনি প্রশ্নও উঠেছে। তারই মধ্যে কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) মন্তব্যে চাঞ্চল্য। বিদ্রোহীদের (rebel MPs) বিজেপি নেবে না বলে দাবি শান্তনুর। অন্যদিকে, দিল্লিতে যেভাবে লোকসভার সাংসদরা (Loksabha TMC MP) রাজ্যসভার সাংসদদের (Rajyasabha MP) থেকে যে বিরোধী পথ অনুসরণ করছেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।

Sponsored

Sranchi In Article

রবিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের (Bhupender Yadav) সঙ্গে বৈঠকে বসেন রেবেল তৃণমূল সাংসদরা। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও পরে তা বাতিল হয়। তবে বৈঠকের আগে এই সাংসদদের নেতৃত্ব দেওয়া কাকলি ঘোষ দস্তিদার দাবি করেন, রেবেল তৃণমূল সাংসদদের সংখ্যা ২০ থেকে বেড়ে ২২-ও হতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, স্পিকারের কাছে আলাদা ব্লক তৈরির করার যে দাবি তুলছেন রেবেল সাংসদরা, তাতে তাঁরা কী বিজেপির পক্ষে যাচ্ছেন? কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar) বা শতাব্দী রায়ের মতো সাংসদরা এনডিএ-কে (NDA) সমর্থনের কথা জানালেও সরাসরি বিজেপি ও নরেন্দ্র মোদিকেই সমর্থন করছেন কি না তাঁরা এখনও স্পষ্ট নয়।

Sponsored

Merlin In Article

এই পরিস্থিতিতে বিজেপির পক্ষ থেকে নতুনভাবে অবস্থান স্পষ্ট করলেন দেশের মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur)। তিনি দাবি করেন, এরা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু বিজেপি এখন কাউকে যোগ দেওয়াচ্ছে না। ফলে এদের সেই আশা পূরণ হবে না। আদতে শান্তনু ঠাকুর বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকে যা যা বলেছেন তা মিলে গিয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া থেকে মতুয়া ভোটারদের নিয়ে বিজেপির সব পরিকল্পনাই কার্যত ফাঁস হয়েছে শান্তনুর মুখ দিয়ে। এবারও তিনিই বিজেপি শিবিরের গোপণ কথা ফাঁস করলেন কি না, প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

কাকলি ঘোষ দস্তিদার নতুন করে তাঁর সমর্থনে তৃণমূল সাংসদদের যুক্ত হওয়ার দাবি জানালেও আদতে তাঁদের পরস্পরবিরোধী আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তাঁর প্রশ্ন, রাজ্যসভায় যাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা পদত্যাগ করেছেন। জহর সরকার প্রথম দেখিয়ে দিয়েছেন আমার মতে মিলছে না আমি ইস্তফা দিলাম। সুখেন্দু শেখর রায় দেরিতে হলেও ইস্তফা দিয়েছেন। সুস্মিতা দেব ইস্তফা দিয়েছেন। আর লোকসভার ক্ষেত্রে আঁকড়ে থাকো। বিদ্রোহের (rebel MPs) আবার আলাদা আলাদা মডেল হয় না কি? রাজ্যসভায় ইস্তফা আর লোকসভা আঁকড়ে থাকো? কারা আঁকড়ে থাকছেন? যাঁরা কিন্তু কেউ নির্দল নন। যাঁরা মানুষের ভোটে জিতেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা তাঁদের হয়ে ভোট করেছেন। যাঁরা ভোট দিয়েছেন তাঁরা বিজেপির বিরোধিতায় ভোট দিয়েছেন। আর যাচ্ছেন এখন বিজেপি ঘেঁষা বন্ধু হয়ে। বকলমে বিজেপিকে নরেন্দ্র মোদিকে নেতা মেনে। এটা তো তৃণমূলের সঙ্গে তো পরের কথা, আগে তো ভোটার, জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।

Sponsored

Techno India In Article

-

Sponsored

Probe In Article

-

-

-

-

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →