Wednesday, June 17, 2026

কমিশনের সর্বদলীয় বৈঠকে নির্বাচনী সময়সীমা  এক ঘন্টা বাড়ানোর অনুরোধ তৃণমূলের

Date:

Share post:

দরজায় কড়া নাড়ছে চার পুরসভার ভোট। আর সেই ভোট নিয়ে বুধবার আলোচনা করতে সর্বদল বৈঠক ডেকেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।কমিশনের দফতরে ওই বৈঠকে সব রাজনৈতিক দলের দু’জন করে প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। সব দলের প্রতিনিধিদের বক্তব্য শুনেছে কমিশন।আগামীকাল বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন।বৃহস্পতিবারই ১০৮ টি পুরসভার জন্য নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারি হবে ।

আরও পড়ুন- কেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার? রহস্য উদঘাটন করলেন মুখ্যমন্ত্রী

শাসকদলের তরফে তাপস রায় ও দেবাশিস কুমার দলের বক্তব্য পেশ করেন।বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাপস রায় বলেন, নির্বাচনী সময়সীমা রাত ৮ টার পরিবর্তে আরও এক ঘণ্টা বাড়িয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত করার অনুরোধ রেখেছি আমরা। শান্তিপূর্ণ অবাধ নির্বাচনের জন্য যা যা করণীয় নির্বাচন কমিশনকে তা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। যে সিদ্ধান্ত কমিশন নেবে সেই সিদ্ধান্তই শাসকদল মেনে নেবে বলে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন।

অন্যদিকে সিপিএম থেকে রবীন দেব, পলাশ দাস প্রমুখরা, সিপিআই থেকে প্রবীর দেব, গৌতম রায়, কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ছিলেন অসিত মিত্র, আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়।বিজেপির পক্ষ থেকে অগ্নিমিত্রা পল, শিশির বাজোরিয়া প্রমুখ বৈঠকে যোগ দেন। শিশির বাজোরিয়া বলেন, তাঁরা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, বাইরের লোকদের ভোটের সময় এলাকা ছেড়ে যেতে হয়, কিন্তু রাজ্যে নির্বাচন কমিশন যে নোটিশ জারি করে, তাতে এসব বিষয় উল্লেখ করা হয় না। এই বিষয়টিও তুলে ধরেছেন তাঁরা।

সিপিএমের রবীন দেব বলেন, ভোটের ৪৮ ঘন্টা আগে প্রচার পর্ব শেষ হয়ে গেলে  যাতে বহিরাগতরা না প্রবেশ করে , সেজন্য বাড়তি ব্যবস্থা নিক কমিশন।  নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের আশ্বস্ত করার দাবি নির্বাচন কমিশনের কাছে তারা  জানিয়েছেন।এরই পাশাপাশি  তারা দাবি রাখেন, যারা পোলিং এজেন্ট হবেন  তাদের  সেই ওয়ার্ডের বাসিন্দা হতে হবে ।

প্রসঙ্গত, গত ২২ সে জানুয়ারি রাজ্যের চারটি পুরসভার নির্বাচন স্থির করা হয়েছিল। কিন্তু করোনা সংক্রমনের কারণে পরে দিনক্ষণ পিছিয়ে দেয়া হয়। আগামী ১২  ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হতে চলেছে। করোনা সংক্রমণ কিছুটা কমে আসায় ২৭  ফেব্রুয়ারি বকেয়া পুরসভাগুলির ভোটের প্রস্তুতির কাজ এখনই শুরু করে দিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন।

 

 

Related articles

জনকল্যাণের নামে প্রহসন! বিজেপির শিবিরে চরম হয়রানির শিকার সাধারণ মানুষ

নকলেও ফ্লপ বিজেপি! তৃণমূল সরকারের দুয়ারে সরকারকে ‘কপি’ করেও নাগরিক পরিষেবায় ছড়িয়ে লাট করল শুভেন্দু-সরকার। রাষ্ট্রসংঘের প্রশংসাপ্রাপ্ত ‘দুয়ারে...

জাতীয় গেমস বাংলায়! দায়িত্ব নিয়েই পরিকাঠামোতে জোর ইন্দ্রনীলের

  কয়েক দশক আগে শেষ বার বাংলায় জাতীয় গেমস হয়েছিল, এরপর থেকে এই গেমস আয়োজনের সুযোগ পায়নি বাংলা। পালা...

আদানি থেকে টাটা- ৪২ শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ: রাজ্যে লগ্নি টানতে মরিয়া তাপস

বাংলাকে ফের শিল্প মানচিত্রে প্রতিষ্ঠিত করাই লক্ষ্য। সেই উদ্দেশ্যেই দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই শিল্পপতিদের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ শুরু...

ফ্লোর টেস্ট হোক, কে কোথায় আছে দেখা যাবে! বিধানসভায় পাল্টা চ্যালেঞ্জ ঋতব্রতর

বিধানসভায় বিরোধী দলের স্বীকৃতি এবং তৃণমূলের প্রকৃত শক্তি ঠিক কত, তা নিয়ে শাসক ও বিরোধী শিবিরের টানাপোড়েন যখন...