Tuesday, May 26, 2026

বাংলায় এসে কুৎসা করার জন্য ক্ষমা চান রবিশংকর প্রসাদ, তীব্র আক্রমণ কুণালের

Date:

Share post:

আগামী ১২ এপ্রিল রাজ্যের দুই হাইভোল্টেজ কেন্দ্র আসানসোল লোকসভা ও বালিগঞ্জে উপনির্বাচন। একেবারে শেষলগ্নের প্রচারে ঝড় তুলেছে সব পক্ষই। আজ শনিবার, শেষদিনের প্রচারে আসানসোলে দলীয় প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার সমর্থনে বর্ণাঢ্য রোড-শো করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে,বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের সমর্থনে প্রচারে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ (Ravishankar Prasad)।

বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে এসে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রবিশংকর প্রসাদ (Ravishankar Prasad)। তিনি বলেন, ”বাংলার পরস্থিতি খুব খারাপ। পুলিশি তদন্তের উপর আর ভরসা নেই মানুষের। একের পর এক মামলা নিয়ে আদালতে ছুটতে হচ্ছে জনগণকে।” একইসঙ্গে আসানসোলের তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার উদ্দেশে তাঁর খোঁচা, ”শত্রুঘ্ন কতদিন তৃণমূলে থাকবেন? উনি তো লোকসভা ভোটে আমার কাছেই হেরেছিলেন।”

আরও পড়ুন: দলীয় প্রার্থী শত্রুঘ্নর সমর্থনে আসানসোলে অভিষেকের রোড শো-এ জনসুনামি

রবিশংকর প্রসাদের এমন মন্তব্যের পরই কড়া জবাব দিয়ে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) বলেন, “বাংলায় এসে বাংলার বদনাম করছেন। এমন ন্তব্যের জন্য অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়া উচিত রবিশংকর প্রসাদের।”

এরপর একুশের বিধানসভা ভোটের প্রসঙ্গ টেনে কুণাল বলেন, “সামনের দুটি নির্বাচনে গো-হারা হারবে বিজেপি। একুশের বিধানসভা ভোটেও বুথে বুথে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারপরও হেরেছে রবিশংকর প্রসাদের দল। মানুষ বুঝে গেছে, বিজেপি ভোট দেওয়া মানেই শুধু মূল্যবৃদ্ধি। বাংলার মানুষের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস আছে। কেন্দ্রীয় সরকারের রিপোর্ট পড়ে দেখুন। বাংলা নিরাপদের ক্ষেত্রে এগিয়ে। আর ভোটের প্রচারে এসে বাংলার নামে কুৎসা করছেন। বাংলায় তৃণমূল মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে মানুষের ভরসায় কাজ করে। এই বিজেপি চেষ্টা করছে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র তৈরি করার। রাজনীতিতে তৃণমূলের সঙ্গে না পেরে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু বাংলায় ঘটে যাওয়া প্রতিটি অন্যায়ের শাস্তি দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর তদন্তের দিকে তাকালেই তা বোঝা যাবে।”

এখানেই শেষ নয়। কুণাল আরও বলেন, “আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেই দিয়েক্সচেন, হিম্মত থাকলে ৩৫৫ করো। পরের ভোটে ২৫০ আসনে জিতে আসবে তৃণমূল। এখানেই শুধু ৩৫৫, ৩৫৬ জুজু। আর গুজরাতে, হাথরাসে কী হচ্ছে সেটা গোটা দেশ দেখছে। সেখানে কোথায় ৩৫৫, ৩৫৬?”



Related articles

ধর্মাচরণে আঘাত! মুখ্যমন্ত্রীর নতুন ঘোষণায় অনিশ্চয়তা গঙ্গাসাগর সেতু নিয়ে

পূর্ববর্তী সরকারের সব প্রকল্প ও সিদ্ধান্ত বাতিল করতে তৎপর বর্তমান বিজেপি সরকার। তা করতে গিয়ে কখনও তৃণমূলের চালু...

বিজেপিতে যতদিন আমি আছি, এদের কোনও এন্ট্রি নেই! কাদের নিয়ে বিস্ফোরক প্রিয়াঙ্কা

"বৈঠক করতে দিন তাতে কী হবে! বিজেপিতে যতদিন আমি আছি, এদের কোনও এন্ট্রি নেই।" এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা...

কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ উদ্যোগে জোর, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর 

কলকাতায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সারলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্র...

বেকারত্ব-পরিবেশ-সংস্কৃতি রক্ষায় এবার রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের ডাক DYFI-এর

রাজ্যে কর্মসংস্থানহীনতা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং বাংলার নিজস্ব সংস্কৃতিকে বাঁচানোর দাবিতে এবার একযোগে আন্দোলনের পথে নামছে ডিওয়াইএফআই। সম্প্রতি...