প্রয়াগরাজকাণ্ড: মানবাধিকার কমিশনের মুখোমুখি তৃণমূল

যোগীরাজ্যের প্রয়াগরাজে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আদিত্যনাথের পুলিশের ‘চরম গাফিলতির’ অভিযোগ তুলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়্যারম্যানের সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে একটি চিঠি দেয় তৃণমূল কংগ্রেসের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। আজ, শুক্রবার দুপুর ১২টায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়্যারম্যানের সঙ্গে দেখা করবে তৃণমূল কংগ্রেসের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধি দলে থাকবেন রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন, তৃণমূল নেতা সাকেত গোখলে ও উত্তরপ্রদেশের তৃণমূল নেতা ললিতেশ ত্রিপাঠী। শুক্রবার সরাসরি মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করবে তৃণমূল।


আরও পড়ুন:রাজ্যসভার টিকিট না পেয়েই ক্ষোভ, কুকীর্তির তত্ত্ব তুলে দিলীপের দাবি ওড়ালেন তথাগত


গত শুক্রবার উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে নৃশংস ঘটনা ঘটে। একই পরিবারের পাঁচ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়। রবিবার উত্তরপ্রদেশের ওই গ্রামে গিয়ে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছিল তৃণমূলের পাঁচ সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। সেখানে মৃতের আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলে ও তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেয় কমিটির সদস্যরা। এই ইস্যুতে প্রয়াগরাজ হত্যাকাণ্ড নিয়ে মঙ্গলবারই মানবাধিকার কমিশনে চিঠি দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। চিঠিতে প্রয়াগরাজে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পুলিশে এফআইআরে চরম গাফিলতির বিষয়টি উঠে এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে পরিবারের সদস্য সুনীল যাদব যে সমস্ত অভিযোগ করেছেন, তার অধিকাংশ FIR থেকে বাদ দিয়েছে পুলিশ বলে অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের। মৃতের পরিবারের দাবি সুনীলের স্ত্রী ও বোনকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু FIR-এ ধর্ষণের বিষয়টি উল্লেখ নেই। নিহত পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি বারবার উল্লেখ করলেও পুলিশ তা FIR-এ রাখেনি। আর এই নিয়ে যোগী রাজ্যের পুলিশের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কেন ধর্ষণের কথা উল্লেখ নেই তা নিয়ে পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে।

প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের থরবই থানার অন্তর্গত খেভরাজপুরে দু’বছরের এক শিশু-সহ একই পরিবারের পাঁচ জনকে কুপিয়ে খুন করে দুষ্কৃতীরা। নিহতদের পরিবারের সদস্য সুনীল যাদবের সঙ্গে কথা বলে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। সুনীল সিবিআই তদন্তের দাবিও করেছেন তৃণমূল নেতাদের কাছে। মৃতের পরিবারের কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ শুনে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। এ বার সরাসরি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছেই যোগী আদিত্যনাথের পুলিশের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন তাঁরা।

Previous articleরাজ্যসভার টিকিট না পেয়েই ক্ষোভ, কুকীর্তির তত্ত্ব তুলে দিলীপের দাবি ওড়ালেন তথাগত