Sunday, March 29, 2026

London: ব্রিটেনের ভোট যুদ্ধে বাজিমাত বাংলার ছেলের

Date:

Share post:

লন্ডনের নিউহ্যাম বরোর(London Borough of Newham) ইস্ট হ্যাম ওয়ার্ডের (East Ham ward)ভোটযুদ্ধে প্রথম বারেই বাজিমাত কলকাতার ছেলে ইমাম হকের (Imam Haq)। ব্রিটিশ ভূমিতে রাজনৈতিক কেরিয়ারে অভিষেকেই শিরোনামে। ভোটের রেজাল্ট বলছে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজ়ারভেটিভ পার্টির(Conservative party) প্রার্থীকে ১০২৫ ভোটে হারিয়ে জয়ী ইমাম হক(Imam Haq)।

অশনির দাপটে অন্ধ্রের সমুদ্রে তটের ভেসে এলো “ভিনদেশি” অপূর্ব সোনালি রথ

ব্রিটেনের স্থানীয় কাউন্সিল নির্বাচনে এ বার লেবার পার্টির জয়জয়কার। ইমামের চিন্তাভাবনা, আত্মবিশ্বাস নজর কেড়েছিল লেবার পার্টি(Labour party) নেতৃত্বের। সেই সূত্রেই তাঁকে মনোনীত করা হয়। এই আসনটি এর আগেও লেবার পার্টির দখলে ছিল। সে দিক থেকে বিচার করলে এই লড়াই অনেক বড় চ্যালেঞ্জ ছিল বঙ্গতনয়ের  কাছে। পরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ণ খিদিরপুরের(Khidirpur) ময়ূরভঞ্জ রোডের এক প্রবাসী। নির্বাচনী লড়াইটা ব্রিটিশদের মাটিতে হলেও রাজনীতির হাতেখড়ি এই কলকাতায়। শ্যামাপ্রসাদ কলেজে (Shyamaprasad College) পড়ার সময়ে ছাত্র পরিষদের সদস্য ছিলেন ইমাম।২০০৫ সালে এমবিএ করতে যান ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ে( University of Walse)। এর পরে কর্মসূত্রে ব্রিটেনেই থেকে যান ইমাম। বর্তমানে সিনিয়র বিজ়নেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার হিসাবে কর্মরত তিনি।২০১৭ সালে ব্রিটেনের নাগরিকত্বও পেয়ে যান তিনি। লড়াইটা কি খুব সহজ ছিল? কীভাবে নিজেকে তৈরি করেছিলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে প্রচার পর্বের প্রস্তুতির কথাই মনে করাচ্ছেন ইমাম।শুরু থেকেই নিবিড় জনসংযোগের উপরে জোর দিয়েছিলেন তিনি। গত ১৫ বছর ইস্ট হ্যামেই আছেন, তাই স্বভাবতই এলাকাটা খুব ভাল করে চেনেন তিনি। ইমামের প্রাপ্ত ভোট ১৭২৫।

প্রত্যেকের বাড়ি গিয়ে প্রচার করেছিলেন তিনি সবুজায়নে জোর দিয়েছিলেন। শুরুর দিকে অবশ্য গ্রিন পার্টি নিয়ে তাঁর একটু চিন্তা ছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইমামের বিরুদ্ধে জোরদার প্রচারও চালিয়েছিলেন বিরোধীরা। তবে শেষ হাসি হেসেছেন এই বঙ্গসন্তানই। কর্মসূত্রে লন্ডন হলেও জন্মসূত্রে তো কলকাতা। তাই সেই আবেগ আর নস্টালজিয়াকে সযত্নে বুকে আগলে রেখেছেন ব্রিটেনের এই নবনির্বাচিত কাউন্সিলর। তাঁর বাবা-মা থাকেন খিদিরপুরের ময়ূরভঞ্জ রোডের বাড়িতেই। তাঁদের টানে বছরে অন্তত এক বার কল্লোলিনী কলকাতায় আসেন ইমাম। তাঁর কাছে এখনও যে কলকাতা প্রাণের শহর। তাঁর সাফল্যে খুশি পরিবার। আত্মীয় বন্ধু-বান্ধবদের মিষ্টি বিতরণ করেছেন ইমামের মা-বাবা। সকলে আশীর্বাদ করেছেন, ইমাম যাতে ভবিষ্যতে আরও অনেক বড় বড় কাজ করতে পারেন এবং বিদেশ ভূমিতে কলকাতার ছেলেটা এভাবেই শহরের রাজ্যের আর দেশের নাম উজ্জ্বল করুক, বলছেন ইমাম ঘনিষ্ঠরা।



Related articles

অবাধ ভোটের লক্ষ্যে বেনজির নজরদারি, ‘বুথ ক্যাপচারিং’ রুখতে নয়া দাওয়াই সিইও-র

স্বচ্ছ ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এ বার বেনজির পদক্ষেপ করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে...

দুই কিস্তি নয়, ৩১ মার্চের মধ্যেই বকেয়া ডিএ একসঙ্গেই মেটানোর নির্দেশিকা রাজ্যের 

বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। পূর্বের নির্দেশে আংশিক পরিবর্তন করে জানানো হয়েছে, ২০১৬...

নির্বাচনী প্রচারের ফাঁকে মহাবীর মন্দির পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী, আপ্লুত পুরুলিয়ার আমলাপাড়া

লোকসভা নির্বাচনের প্রচার ঘিরে এখন তপ্ত লালমাটির জেলা। শনিবার রঘুনাথপুর ও কাশীপুরে জোড়া সভা শেষ করে জেলা শহর...

নাগরিকত্ব হরণের চেষ্টার প্রতিবাদ: রাসবিহারীর সভায় বিজেপি ও কমিশনের বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ গণমঞ্চ-একতা মঞ্চ

বাঙালির নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার হরণের চেষ্টার বিরুদ্ধে ফের সরব হল নাগরিক সমাজ। শনিবার দক্ষিণ কলকাতার রাসবিহারীতে ‘দেশ বাঁচাও...