Patna Murder : দেহ অর্ধদগ্ধ, পায়ের নূপুর দেখে মেয়েকে চিনলেন বাবা

বিয়ের পর থেকে আরও টাকা দেওয়ার জন্য মমতাকে চাপ দিতেন শত্রুঘ্ন ও তাঁর পরিবার। প্রায় এক লক্ষ টাকা চাওয়া হয়। সেই টাকা না দিতে পারায় মমতাকে দিনের পর দিন শারীরিক নির্যাতন করতেন তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা, এমনটাই বলছেন স্থানিয়রা।

বাড়ির বউকে খুন (Murder) করে জ্বালিয়ে দিয়ে প্রমান লোপাটের চেষ্টা করেছিলেন অভিযুক্ত শ্বশুরবাড়ির লোকজন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসায় গৃহবধূর দেহ অর্ধদগ্ধ (half-burnt condition) অবস্থায় ফেলে রেখে পালান তাঁরা। মেয়ের সেই আধজ্বলা পা নিয়ে থানার দ্বারস্থ তাঁর বাবা। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের (Bihar) আরা জেলার ভোজপুরে (Bhojpur)।

মেয়ের বাপের বাড়ি থেকে ছেলের বাড়ির দাবি মতো পণ দিতে পারেনি বাবা। তাই বিয়ের পর থেকেই নববধূর উপর অত্যাচার চরমে ওঠে। একের পর এক দাবি করতে থাকেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২১-এর মে মাসে অখিলেশ বিন্দের মেয়ে মমতার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ভোজপুরের বরৌলি গ্রামের শত্রুঘ্ন বিন্দের। মেয়ের মামা বিগন বিন্দ ধুমধাম করে ভাগ্নির বিয়ে দিয়েছিলেন শত্রুঘ্নর সঙ্গে। সাধ্যমত নগদ টাকা এবং সংসারের প্রয়োজনীয় সামগ্রীও পণ হিসেবে দিয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে আরও টাকা দেওয়ার জন্য মমতাকে চাপ দিতেন শত্রুঘ্ন ও তাঁর পরিবার। প্রায় এক লক্ষ টাকা চাওয়া হয়। সেই টাকা না দিতে পারায় মমতাকে দিনের পর দিন শারীরিক নির্যাতন করতেন তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা, এমনটাই বলছেন স্থানিয়রা। এরপর গৃহবধূকে গলা টিপে খুন করে তাঁর দেহ নদীর ধারে বালিতে গর্ত খুঁড়ে পুঁতে দিয়েছিলেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। কিন্তু ধরা পড়ার ভয়ে সেই দেহ তুলে রাতের অন্ধকারে পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতেই তা কয়েক জনের নজরে আসে। খবর যায় গৃহবধূর বাপেরবাড়িতে, ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন তাঁরা। বাবা মেয়ের আধজ্বলা পায়ের নূপুর দেখেই শনাক্ত করেন। তারপর সেই পা নিয়েই সোজা থানায় হাজির হন। এমন ঘটনায় অবাক পুলিশ। মমতার বাড়ির লোকের অভিযোগের ভিত্তিতে একটি খুনের মামলা দায়ের করে পুলিশ। মৃত গৃহবধূর স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকেরা পলাতক। পুলিশ সন্ধান চালাচ্ছে।



Previous articleদিলীপের কীর্তিতে হাসির রোল, ফলপ্রকাশের এক ঘণ্টা আগেই ‘সফল ছাত্রছাত্রীদের’ অভিনন্দন !