আরএসএস-এর তত্ত্বাবধানে দেশের স্কুল শিক্ষার পাঠ্যক্রমের পরিবর্তন হচ্ছে

আশঙ্কা ছিলই। এবার তা বাস্তবায়িত হতে চলেছে। মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পরই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও পাঠ্যক্রম-এর গেরুয়াকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন শিক্ষানীতির আওতায় দেশের স্কুল শিক্ষার পাঠ্যসূচিতে পরিবর্তন আনার যে প্রক্রিয়া ২০২০ সালে জাতীয় শিক্ষানীতি তৈরির মধ্যে দিয়ে শুরু হয়, তা কার্যত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ বা আরএসএস-এর তত্ত্বাবধানে।


আরও পড়ুন:বাংলার গর্ব, আগামী দিনে ভারত একজন যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে চলেছে: অভিষেক
জাতীয় শিক্ষানীতিতে পাঠ্যক্রম পরিবর্তন করার জন্য যে ২৫ টি ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক (এনসিএফ) গোষ্ঠী গঠন করা হয়েছিল, তার মধ্যে অন্তত ১৭ টিতে আরএসএস-এর বিভিন্ন স্তরের শিক্ষাবিদরা রয়েছেন ৷ স্বদেশী জাগরণ মঞ্চের জাতীয় সহ-আহ্বায়ক থেকে শুরু করে বিদ্যা ভারতীর প্রধান পর্যন্ত ২৪ জন সদস্য আরএসএস -এর সাথে যুক্ত। ২০১৪ সালে মোদি সরকার গঠিত হওয়ার পর এবং স্বাধীনতার পর পঞ্চমবারের মতো পাঠ্যক্রমের পরিবর্তন ঘটছে। পাঠ্যক্রম থেকে ছেঁটে ফেলা হচ্ছে ইতিহাসের অনেক উল্লেখযোগ্য অধ্যায়।


পাঠ্যক্রম সংশোধন কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক দ্বারা নিযুক্ত প্রাক্তন ইসরো চেয়ারম্যান কে কস্তুরিরঙ্গনের নেতৃত্বে একটি ১২ সদস্যের স্টিয়ারিং কমিটির নেতৃত্বে করা হচ্ছে। স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করেছে ২৫টি এনসিএফ। এনসিএফগুলি ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং(এনসিইআরটি) এর নতুন বইগুলির ভিত্তি হিসাবে কাজ করবে এবং এনসিএফ গোষ্ঠীগুলির দ্বারা প্রস্তুতকৃত কাগজপত্রের সংখ্যার ভিত্তিতে সিলেবাস পরিবর্তন করা হবে। প্রতিটি এনসিএফ গোষ্ঠীতে ৭-১০ জন সদস্য রয়েছে ।



Previous articleIndia Team: সুস্থ হয়ে উঠছেন অশ্বিন, দল নিয়ে অনুশীলনে রাহুল দ্রাবিড়