এবছরের শেষেই মিলবে ই-পাসপোর্টের পরিষেবা

এই ই-পাসপোর্ট মানে আসলে বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট (Biometric Passport) । ই-পাসপোর্টে পাসপোর্ট বইয়ের ভিতরে দ্বিতীয় পাতায় থাকবে একটি মাইক্রোচিপ। যার ভিতরে ব্যবহারকারীর বায়োমেট্রিক্স তথ্য থাকবে

ই-পাসপোর্টের (E-Passport) অপেক্ষা শেষ হতে চলেছে । জানা গিয়েছে, এবছরের শেষেই এই পাসপোর্টের পরিষেবা পাবেন ভারতীয়রা (Indian) । ইতিমধ্যেই পাসপোর্ট তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছে টিসিএস (TCS) । ভারতের পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রের দ্বিতীয় পর্যায়ে আসতে চলেছে এই ই-পাসপোর্ট।

এই ই-পাসপোর্ট মানে আসলে বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট (Biometric Passport) । ই-পাসপোর্টে পাসপোর্ট বইয়ের ভিতরে দ্বিতীয় পাতায় থাকবে একটি মাইক্রোচিপ। যার ভিতরে ব্যবহারকারীর বায়োমেট্রিক্স তথ্য থাকবে । অর্থাৎ ব্যবহারকারীর নাম (Name), ন্যাশেনালিটি (Nationality), জন্ম (Birth Date)) সংক্রান্ত তথ্য । এর সাহায্যে ব্যবহারকারী কোন দেশে যাচ্ছেন,তার তথ্যও সহজে নথিভুক্ত করতে পারবে এই চিপ । প্রতারণা কমবে, নিরাপত্তা বাড়বে ।

আরও পড়ুন- ১২ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পরে গভীররাতে ইডি দফতর থেকে ছাড়া পেলেন রাহুল, আপাতত স্বস্তি!
তবে ই-পাসপোর্ট ভারতে নতুন নয়। ২০০৮ সালে প্রথম প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাটিলকে এই ই-পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছিল কেন্দ্রের তরফে । পাইলট প্রোজেক্টের আওতায় দেশের সরকারি দফতরের কর্মী বা মন্ত্রকের কর্মী মিলিয়ে ২০ হাজার ই-পাসপোর্ট ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে ।

বিশ্বব্যাপী ১০০ টিরও বেশি দেশ ইতিমধ্যে ই-পাসপোর্ট ব্যবহার করছে । মালয়েশিয়া প্রথম দেশ, যারা ১৯৯৮ সালে ই-পাসপোর্ট প্রথম চালু করে । যদিও, তা ICAO-সম্মত ছিল না । বেলজিয়াম ২০০৪ সালে প্রথম ICAO-সম্মত প্রথম পাসপোর্ট তৈরি করেছিল ।

Previous articleAIFF: এআইএফএফ-এর তিন সদস্যের অ্যাডমিনিস্ট্রেটর কমিটিকে বাতিলের নির্দেশ দিল ফিফা এবং এএফসি :সূত্র