Thursday, May 14, 2026

সুপ্রিমকোর্টে মহারাষ্ট্র সংকট: দলত্যাগ বিরোধী আইনে শিন্ডেদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের আবেদন

Date:

Share post:

মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক সঙ্কট(Maharastra Political Crisis) এবার কড়া নাড়ল সুপ্রিম দরজায়। বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ আইনে পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন জানিয়ে শীর্ষ আদালতে(Supreme Court) মামলা দায়ের করলেন মধ্যপ্রদেশের মহিলা কংগ্রেস নেত্রী জয়া ঠাকুর(Jaya Thakur)। এই মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে আগামী ২৯ জুন এই মামলার শুনানি হতে পারে।

মধ্যপ্রদেশ মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী জয়া ঠাকুর শীর্ষ আদালতে যে আবেদন করেছেন সেখানে দলত্যাগী বিধায়কদের ৫ বছরের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। অযোগ্য/পদত্যাগকারী বিধায়কদের ৫ বছরের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বাধা দেওয়া উচিত। মহারাষ্ট্রের বিধায়কদের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতে এই আবেদন করা হয়েছে। আবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলো আমাদের দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ধ্বংস করতে চাইছে। বিধায়কদের দলত্যাগ অসাংবিধানিক।

নিজের আবেদনে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো ঘোড়া-কেনাবেচা ও দুর্নীতিতে লিপ্ত। রাজ্যবাসী একটি স্থিতিশীল সরকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এসব অগণতান্ত্রিক পন্থায় আমাদের দেশের গণতন্ত্র ও সংবিধানকে নিয়ে মস্করা করা হচ্ছে। এ ধরনের অগণতান্ত্রিক প্রথা বন্ধ করতে হবে। ক্রমাগত দলত্যাগের ফলে রাজকোষের বিশাল ক্ষতি হয়, কারণ এর কারণে উপনির্বাচন করতে হবে। ভোটাররা তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। এতে মধ্যপ্রদেশের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে যেখানে দলত্যাগী বিধায়কদের মন্ত্রী করা হয়েছে। এই জাতীয় বিধায়কদের বিধানসভা থেকে পদত্যাগের তারিখ থেকে পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বাধা দিক আদালত।

জয়া ঠাকুরের আবেদনে বলা হয়েছে গত বছর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও, কেন্দ্র এখনও দলত্যাগের মামলাগুলি পরিচালনার জন্য পদক্ষেপ নেয়নি। রাজনৈতিক দলগুলো পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে আমাদের দেশের বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচিত সরকারকে ক্রমাগত ধ্বংস করছে। গণতন্ত্রে দলীয় রাজনীতির গুরুত্ব এবং সুশাসনের সুবিধার্থে সরকারের মধ্যে স্থিতিশীলতার প্রয়োজন। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সাংবিধানিক ধারণার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় স্পিকারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এই আবেদনে ২০১৯ সালে কর্ণাটকের দলত্যাগী বিধায়কদের পুনঃনির্বাচনও উদ্ধৃত করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে ১৯৬০ এবং ১৯৭০ সালে, “আয়া রাম এবং গয়া রাম” রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বিখ্যাত হয়ে ওঠে, যা হরিয়ানার বিধায়ক গয়া লালকে দায়ী করা হয়। যিনি ১৯৬৭ সালে অল্প সময়ের মধ্যে তিনবার দলত্যাগ করেন।


Related articles

হাইকোর্টে আইনজীবীর পোশাকে মমতা

বৃহস্পতিবার সকালে আইনজীবীর পোশাকে কলকাতা হাইকোর্টে হাজির মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা রাজ্যে ভোট পরবর্তী...

প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত উত্তরপ্রদেশ, লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা! 

কোথাও গাছ উপড়ে পড়েছে, কোথাও ধসে গেছে দেওয়াল, বুধবার থেকে বৃষ্টি আর কালবৈশাখী তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড উত্তরপ্রদেশের (Uttarpradesh) একাধিক...

আজ বিধানসভায় জয়ী প্রার্থীদের শপথ গ্রহণের দ্বিতীয় পর্ব 

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের জয়ী প্রার্থীদের বিধায়ক পদে শপথ গ্রহণ পর্বের (MLA's oath taking program) আজ দ্বিতীয় দিন। বুধবার...

আজ উচ্চমাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ, সাড়ে দশটায় আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর ওয়েবসাইটে দেখা যাবে রেজাল্ট

আজ প্রকাশিত হতে চলেছে চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল (HS Result 2026) । বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় উচ্চমাধ্যমিক...