সংগীতশিল্পী নির্মলা মিশ্রর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ শিল্পীমহল

প্রয়াত কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী নির্মলা মিশ্র। শনিবার রাত ১২টা ৫ মিনিট নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার চেতলায় নিজের বাড়িতেই তাঁর মৃত্যু হয়।গত বেশ কয়েক মাস ধরেই বার্ধ্যকজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন শিল্পী৷ তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সঙ্গীতজগত।

আরও পড়ুন:কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী নির্মলা মিশ্র-র মৃত্যুতে শোকবার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

বর্ষীয়ান সংগীতশিল্পীর মৃত্যুতে গায়িকা হৈমন্তী শুক্লা বলেন, “বহুদিন ধরে ওঁর গান শুনছি। আমার খুব প্রিয় শিল্পী, প্রিয় মানুষ। তবে শেষ কিছুদিন খুবই কষ্ট পাচ্ছিলেন। এই চলে যাওয়া আমাদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। ” এদিকে শিল্পীর মৃত্যুতে কান্নায় বিহ্বল হয়ে পড়েন শিল্পী শম্পা কুণ্ডু। তিনি বলেন,  ‘আমাকে গানের জগতে নিয়েই এসেছিলেন তিনি। তবে আজ ওঁকে শেষ দেখা দেখতে যেতে পারব না।’ শিল্পী সৈকত মিত্র বলেন, ‘নিকট আত্মীয় বললেও কম বলা হয়।আমাকে ছেলের মতো নয়, ছেলেই মনে করতেন। ওঁর মতো প্রাণবন্ত মানুষ খুব কম দেখেছি। শিল্পী হিসাবে উনি কেমন, সেটা বলার যোগ্যতা আমার নেই।’

গায়িকা ইমন চক্রবর্তী কিংবদন্তী শিল্পীর গান শেয়ার করে লেখেন, ‘এই কণ্ঠের কোনও মৃত্যু নেই।’ শিলাজিৎ মজুমদার শোকপ্রকাশ করে লিখেছেন, ‘খুব কম মিশলেও, মনে হয়েছিল মানুষটার মধ্যে শিল্পীদের মত খ্যাপামি আছে। যখনই দেখা হয়েছে, মনে হয়নি মানুষটা দূরের। দেখা হলেই উনি আশীর্বাদ করেছেন।’ সংগীত শিল্পী মনোময় ভট্টাচার্য শোকপ্রকাশ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “নির্মলা মিশ্র কষ্ট থেকে মুক্তি পেলেন…।”

সংবাদমাধ্যমকে নির্মলা মিশ্রর ছেলে শুভদীপ দাশগুপ্ত বলেন, “২০১৫ সালে সেরিব্রাল অ্যাটাক হয়। তারপর থেকেই মা আংশিক পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েন। বিছানায় শুয়েই থাকতেন। ২০১৮ সাল থেকে মায়ের শারীরিক অবস্থার ক্রমশ অবনতি হয়। হাসপাতাল আর বাড়ি করতে হয়েছে বহুবার। শনিবার সকালে অসুস্থতা বাড়ে। মায়ের খুব শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। হাসপাতালে নিয়ে যেতে চায়নি মা। রাতেই সব শেষ হয়ে গেল। চোখের সামনে চলে গেল মা।”

Previous article‘দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতি’র তদন্তে  বাড়ি থেকে হেলিকপ্টার বাজেয়াপ্ত করল সিবিআই !