ঝাড়খণ্ডের ৩ বিধায়ক কেন যাচ্ছিলেন মন্দারমণি? নজরে বঙ্গ বিজেপির নেতা ও তাঁর ভাই

ঝাড়খণ্ড কাণ্ডের তিন বিধায়কের গ্রেফতারি কাণ্ডে তদন্ত যতই এগোচ্ছে ততই ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। তদন্তে নেমে  সিআইডির হাতে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে হাওলা কাণ্ডের যোগও। গ্রেফতার হওয়া তিন কংগ্রেস বিধায়ক দাবি করেছিলেন, তাঁরা মন্দারমণি যাচ্ছিলেন। সেখান থেকেই প্রশ্ন ওঠে সিআইডির। কেন মন্দারমণি যাচ্ছিলেন বিধায়করা? এত জায়গা থাকতে মন্দারমণি কেন? কারাই বা হোটেলের ব্যবস্থা করে দিয়েছিল? কাদের নামে হোটেল বুক করা হয়েছিল? এনিয়ে রহস্য বাড়ছে । এবং অভিযোগের তির ক্রমশ যাচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুরের প্রভাবশালী বিজেপি নেতা ও তাঁর ভাইয়ের দিকে । স্বাভাবিকভাবেই বোঝা যাচ্ছে তিনিই পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ছিলেন। তাই প্রকাশ্যে সভায় বলেছিলেন মহারাষ্ট্রের পর বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তরাখণ্ডে সরকার দখল করব।

আরও পড়ুন:ঝাড়খণ্ড বিধায়ক-কাণ্ডে কিছুই জানেন না! সিআইডি জেরায় দায় এড়াচ্ছেন মহেন্দ্র

বৃহস্পতিবার হাওলা ব্যবসায়ী মহেন্দ্র আগরওয়ালকে তলব করে ভবানীভবন। সেখানে চলে জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব। যদিও বুধবার তিনি দাবি করেন, কালো ব্যাগে যে টাকা রয়েছে তা তিনি জানতেনই না। ইতিমধ্যেই সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯-২০ জুলাই নাগাদ কলকাতায় এসেছিলেন ঝাড়খণ্ডের দুই কংগ্রেস বিধায়ক। এখান থেকে গুয়াহাটি গিয়েছিলেন বৈঠক করতে। সেখানে এক বিজেপি নেতার সঙ্গে বৈঠকও করেছিলেন রাজেশ কাচ্ছাপ এবং ইরফান আনসারি, এমনটাই দাবি তদন্তকারীদের। এরপর গত ২১ জুলাই প্রায় ৭৫ লক্ষ টাকা নিয়ে কলকাতা থেকে ঝাড়খণ্ডে ফিরেছিলেন কংগ্রেসের দুই বিধায়ক। আর এই নগদ তাঁদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন সিআইডির নজরে থাকা ব্যবসায়ী মহেন্দ্র আগরওয়াল। এমনই অভিযোগ উঠছে। এই বিষয়েই আজ হাওলা ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে CID।

মনে করা হচ্ছে, ঝাড়খণ্ডের সরকার ফেলার লক্ষ্যে কলকাঠি নাড়ছেন পূর্ব মেদিনীপুরের গেরুয়া শিবিরের প্রভাবশালী নেতা ও তাঁর ভাই। যদি তাঁদের অপারেশন ফেল করে। হাওড়ার পাঁচলা থেকে কালো গাড়ি থেকে ৪৯ লক্ষ টাকা সহ গ্রেফতার  হন ঝাড়খণ্ডের তিন কংগ্রেস বিধায়ক।

 

Previous articleSSC Issue: বিক্ষোভ জমায়েতে অশান্তি তৈরির চেষ্টা, কড়া পদক্ষেপ পুলিশের