মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) জানিয়েছিলেন, ‘বীর সম্মানে ফিরিয়ে আনা হবে অনুব্রতকে’। এর ঠিক পর শুক্রবার মঙ্গলকোট বিস্ফোরণ মামলায় বেকসুর খালাস পেলেন অনুব্রত মণ্ডল(Anubrata Mondal)। একদিকে দলনেত্রীর তরফে তাঁর পাশে থাকার বার্তা অন্যদিকে বেকসুর খালাস, সবে মিলে রীতিমতো আত্মবিশ্বাসী দেখালো বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতিকে(TMC President)। আদালত থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অনুব্রত জানিয়ে দিলেন, ‘সত্যের জয় হল।’ পাশাপাশি পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে অনুব্রত বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হবে। বিরোধীরা নিজের নিজের মতো করে মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন।


শুক্রবার সকালে আসানসোল সংশোধনাগার থেকে বেরিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে অনুব্রত মণ্ডল বলেন “দিদি পাশে আছে এটাই এনাফ”। তারপরই খোশমেজাজে দেখা যায় তাঁকে। এরপর মঙ্গলকোট মামলায় তাঁকে বেকসুর খালাসের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “সত্যের জয় হল। ২০১০ সালের একটি ঘটনায় মিথ্যা কেসে ফাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল আমাকে।” একইসঙ্গে পরবর্তী মামলাগুলিতেও একইভাবে তিনি খালাস পাবেন কিনা সংবাদমাধ্যমের তরফে প্রশ্ন করা হলে অনুব্রত বলেন, “আমি কি কিছু অন্যায় করেছি।” এছাড়াও পঞ্চায়েত ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “পঞ্চায়েতের সময় পঞ্চায়েত দেখা যাবে। শান্তিপূর্ণভাবে ভদ্রভাবে ভোট হবে। বিডিও অফিসে কেউ থাকবে না বিরোধীরা নিজের মতো করে মনোনয়ন জমা দেবেন আবার চলে আসবেন। একুশের বিধানসভা নির্বাচন তো হয়েছিল কোনও অশান্তি হয়েছে?”
উল্লেখ্য, বাম আমলে পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট থানা এলাকার মল্লিকপুর একটি বিস্ফোরণের ঘটনায় কয়েক জন জখম হয়েছিলেন। তার মধ্যে দু’জনের জখম ছিল গুরুতর। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ওই বছরই অক্টোবর মাসে চার্জশিট দেয় মঙ্গলকোট থানা। সেই চার্জশিটে অনুব্রত মণ্ডল সহ মোট ১৫ জনের নাম ছিল। এই মামলায় এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলকোট মামলায় হাজিরা দিয়েছিলেন অনুব্রত। শুক্রবার ফের সকাল পৌনে সাতটা নাগাদ আসানসোল জেল থেকে বের করা হয় অনুব্রতকে। তারপর তাঁকে নিয়ে আসা হয় বিধাননগরে। এই মামলায় অনুব্রতর সঙ্গেই অভিযুক্ত ছিলেন আরও ১৪ জন। প্রত্যেককেই বেকসুর খালাস করেছে আদালত।


















