গার্ডেনরিচ কাণ্ডে আমির খানের বাড়িতে কোটি কোটি টাকা এল কী করে, তার উত্তর খুঁজতে গিয়ে ইডি বেশ কিছু নয়া তথ্য পেয়েছে। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, আমির কল সেন্টারে থাকাকালীনই অ্যাপস তৈরি করেছিল।তার আগে সে চাকরি করতেন কল সেন্টারে। তখনই অ্যাপস তৈরির আইডিয়া মাথায় আসে তার। আমির কল সেন্টারে কাজ করার পর নিজেই কল সেন্টার খোলেন।

কল সেন্টারের পাশাপাশি ২০১৯ সালে গেম অ্যাপস চালু করে।এরি পাশাপাশি ইডির নজর এবার ফেডারল ব্যাঙ্কের রাজারহাট শাখার অ্যাকাউন্টে। তবে এই অ্যাকাউন্ট ছাড়াও আরও কোথায় কোথায় অ্যাপস গেমের টাকা জমা হত, সেই তথ্য জানতে চায় ইডি।রাজারহাটে অ্যাকাউন্টে জমা পড়ত অ্যাপস গেমের টাকা। ওই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট কার নামে ছিল, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে ব্যাঙ্কের থেকে।ইডির নজর আমিরের বিদেশ যাত্রাতেও। টাকা পাচারের জন্য কি ঘনঘন বিদেশ যেত সে ? ইডি জানতে পেরেছে, একাধিকবার বিদেশ যাত্রা করেছিল আমির। অভিবাসন দফতর থেকে সেই তথ্যও চেয়েছে ইডি।এমনকি তার দুবাইতে যাওয়ার লিংক পাওয়া গিয়েছে। আমিরের সব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট-এর তথ্য খতিয়ে দেখছে ইডি।

যদিও আমির বেপাত্তা।জানা গিয়েছে, পার্কস্ট্রিট থানায় ২০২১ সালে তার নামে অভিযোগ দায়ের হয়।আমির খানের বিরুদ্ধে প্রতারণা, ষড়যন্ত্র সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে ইডি। 420, 406, 409, 468., 469, 471,34 ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। আমিরেরল বাড়িতে পাওয়া বিপুল টাকার উৎস শুধুই মোবাইল অ্যাপস গেম নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও চক্র? তা খতিয়ে দেখছে ইডি।



















