নৃশংস যোগীরাজ্য, বিয়ের আগেই ধ*র্ষিতা কিশোরীকে আগুনে পুড়িয়ে মারল ধ*র্ষকের মা

নাবালিকাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ৩ মাস আগে ধ*র্ষণ করেছিল গ্রামেরই এক যুবক। তবে লোকলজ্জার ভয়ে বাড়িতে কিছুই জানায়নি যুবতী। পরে গর্ভবতী হওয়ার পর লোকজনাজানি হতে পঞ্চায়েতের তরফে ধ*র্ষককে ওই নাবালিকাকে বিয়ে করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে বিয়ের আগেই নাবালিকাকে পুড়িয়ে মারল ধ*র্ষকের মা। নৃশংস এই ঘটনাটি ঘটেছে যোগী রাজ্য উত্তর প্রদেশের মইনপুরী জেলায়। ইতিমধ্যেই পুলিশ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।

জানা গিয়েছে, উত্তর প্রদেশের মইনপুরী জেলার কুরাভালী থানার অধীনে একটি গ্রামের বাসিন্দা ওই কিশোরীকে তিন মাস আগে ধ*র্ষণ করা হয়। ধর্ষিতার মায়ের অভিযোগ, গ্রামেরই বাসিন্দা এক যুবক তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধ*র্ষণ করে। কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে ওই কিশোরী চুপ করে থাকে, পরিবারের কাউকেও শারীরিক নির্যাতন সম্পর্কে কিছু জানায়নি সে। কিছুদিন বাদেই পেটে ব্যাথা শুরু হয় ওই কিশোরীর। চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হলে জানা যায়, ওই কিশোরী গর্ভবতী। এরপরই পরিবারের তরফে চাপ সৃষ্টি করা হলে ধ*র্ষণের ঘটনা খুলে বলে ওই কিশোরী। পঞ্চায়েতকেও খবর দেওয়া হয়। গত ৬ অক্টোবর পঞ্চায়েতের সালিশী সভা বসানো হয়। সেখানেই নির্দেশ দেওয়া হয়, অভিযুক্ত যুবক ওই কিশোরীকে বিয়ে করবে।

কিন্তু এরপরই অভিযুক্তের মা ওই কিশোরীকে বাড়িতে ডাকেন বিয়ের প্রস্তুতি নিয়ে কথাবার্তা বলার জন্য। ওই কিশোরী অভিযুক্তের বাড়িতে যেতেই তাঁর গায়ে পেট্রোল ঢেলে দেওয়া হয় এবং আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। কিশোরীর আর্তচিৎকার শুনেই ছুটে আসেন আশেপাশের বাসিন্দারা। তারাই কোনওমতে উদ্ধার করেন ওই কিশোরীকে। গুরুতর দ্বগ্ধ অবস্থায় প্রথমে মইনপুরীর জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় কিশোরীকে, পরে সেখান থেকে সাইফাইয়ে স্থানান্তরিত করা হয়। গতকাল রাতে মারা যায় ওই কিশোরী। আরো একবার উত্তরপ্রদেশে এই ধরনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিজেপি সরকারের ভূমিকা নিয়ে।

Previous articleবিজেপির বিজয়া সম্মেলন, পঞ্চায়েতকে মাথায় রেখে সুকান্ত-শুভেন্দুদের নয়া স্ট্র্যাটেজি