Saturday, May 16, 2026

প্রাচীনকালে হ্যাংওভার কাটানোর দাওয়াই কী? খোঁজ পেয়ে তাজ্জব গবেষকরা

Date:

Share post:

এক মাস ধরে উৎসব। এবার প্রায় শেষ লগ্নে। উৎসবের সময় খাওয়ার পাশাপাশি অনেকের ক্ষেত্রেই পানটাও একটু বেশি হয়ে যায়। ফলে দেখা দেয় হ্যাংওভার। তবে এটা আধুনিক যুগের সমস্যা নয়, এ সমস্যা অতি প্রাচীন। আর সেই সময়ও এই হ্যাংওভার (Hangover) কাটাতে বিভিন্ন পন্থা খুঁজতেন মদ্যপায়ীরা। এমনকী বাদ যেত না বিশেষ ধরনের আংটি পরাও। সম্প্রতি তেমনই এক আংটি আবিষ্কার করেছেন গবেষকরা (Researchers)।

হ্যাংওভার কাটাতে প্রাচীন রোমান যুগে এক ধরনের আংটি (Ring) ব্যবহারের প্রচলন ছিল। সাধারণত অতিধনী ও ক্ষমতাবানরাই এই ধরনের আংটি পরতেন। সোনার আংটির উপর বসানো থাকত একটি নীলা। সম্প্রতি ইজরায়েলের ইয়াভনে এলাকায় খননকার্য চলাকালীন বাইজেন্টাইন যুগের একটি মদ তৈরির কারখানার খোঁজ পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। আনুমানিক সপ্তম শতাব্দীর বলে মনে করা হচ্ছে। মনে করা হয়, সে সময়ের সবচেয়ে বড় মদ (Wine) প্রস্তুতকারী কারখানা ছিল সেটি। সেখানে সাদা একধরনের মদ তৈরি হত, যাকে স্থানীয়ভাবে বলা হত গাজা। সেখানে প্রতি বছর ৫ লক্ষ গ্যালন মদ তৈরি করা হত। বিরল আবিষ্কারে উচ্ছ্বসিত গবেষকেরা। কিন্তু তারমধ্যে আরও একটি বিরল জিনিস পেয়ে আনন্দে আত্মহারা আবিষ্কারকরা। সেটি হল সেই হ্যাংওভার কাটানোর আংটি।

সে সময় অতিরিক্ত মদ্যপানের ফলে হওয়া হ্যাংওভার কাটাতে এই আংটি ব্যবহার করতেন ধনীরা। এছাড়া যার আঙুলে এই আংটি থাকত, তিনি সমাজে সম্ভ্রান্ত মানুষ বলে গণ্য হতেন। নীলা তখনকার দিনে খুব দামি পাথর হিসাবে গণ্য না হলেও তার কদর ছিল। মদের নেশা কাটাতে সেই নীলা সোনার আংটিতে বসিয়ে তা পরতেন ধনীরা। এই আংটিতে কাজ করতো কি না তার উল্লেখ এখনও পাওয়া যায়নি। তবে অতিরিক্ত মদ্যপানের পরের দিন হ্যাংওভার যে বিব্রত করত তা স্পষ্ট এই আবিষ্কার থেকেই।

Related articles

SIR-এ নাম বাদ পড়লে খারিজ হবে জাতি শংসাপত্র! জারি নির্দেশিকা

রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর একের পর এক আগের প্রশাসনের নিয়ম বদলের পথে বর্তমান রাজ্য সরকার। সেই পথে এবার...

ভোট পরবর্তী হিংসা: ছাড় পেলেন না পদকজয়ী স্বপ্না, পুড়ে ছাই বাড়ি

বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করছেন তাঁদের কেউ সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার পর্যন্ত করা হবে। সেই...

প্রচারে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ: FIR দায়ের অভিষেকের বিরুদ্ধে

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বাংলায় যেভাবে হিংসায় প্ররোচনার অভিযোগ বারবার উঠেছে, তাতে শাসক ও প্রধান বিরোধী কোনও দলই পিছিয়ে...

SIR-এর ট্রাইবুনাল ধাঁধাঁ: ভোট দেওয়ার পরে নাম বাদ পড়ল ভোটার তালিকা থেকে!

গোটা এসআইআর প্রক্রিয়া বাংলার মানুষের বৈধ ভোটাধিকার বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করার জন্যই হয়েছিল, এমন অভিযোগ বারবার রাজ্যের একাধিক...