প্রিমিয়ারে DHFC, দলের সেলিব্রেশনে অভিষেক বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়

কোচ কিবু ভিকুনা-সহ ফুটবলারদের সঙ্গে কথা বলেন সাংসদ। সেখানেই তিনি আইএসএলে খেলার ইচ্ছাপ্রকাশের পাশাপাশি প্রিমিয়ারে শক্তিশালী দল গড়ার কথাও জানিয়েছেন।

প্রথমবার কলকাতা লিগে খেলতে নেমেই সাফল্য পেয়েছে সাংসদ অভিষেক বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়ের ক্লাব ডায়মন্ড হারবার ফুটবল ক্লাব। প্রথম ডিভিশন থেকে অভিষেক বছরেই প্রিমিয়ার ডিভিশনে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ডিএইচএফসি। সাফল্য উদযাপন করতে কোচ, ফুটবলারদের নিয়ে গেট টুগেদারের ব্যবস্থা করেছিল ক্লাব। এদিন আলিপুরের পাঁচতারা হোটেলে দলের সকলের জন্য ছিল মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা। ছিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা ক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রত্যেকের সঙ্গে মিলিত হন তিনি। কোচ কিবু ভিকুনা-সহ ফুটবলারদের সঙ্গে কথা বলেন সাংসদ। সেখানেই তিনি আইএসএলে খেলার ইচ্ছাপ্রকাশের পাশাপাশি প্রিমিয়ারে শক্তিশালী দল গড়ার কথাও জানিয়েছেন।

এদিন প্রতিটি ফুটবলারকে আলাদা করে অভিনন্দন জানান অভিষেক বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়। কোচ কিবু ভিকুনা-সহ সাপোর্ট স্টাফে থাকা প্রতিটি সদস্য, এমনকী গ্রাউন্ড স্টাফদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের কাজের প্রশংসা করেন অভিষেক। অভিষেক বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়ের এই ব‍্যবহারে অভিভূত ফুটবলাররাও। সিনিয়র ফুটবলার অসীম বিশ্বাস বললেন, ‘‘প্রত্যেকের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলে যেভাবে উৎসাহ দিয়েছেন, অভিনন্দন জানিয়েছেন উনি তাতে আমরা আপ্লুত।’’ একই কথা বলেন দলের আরেক ফুটবলার তীর্থঙ্কর সরকার। তিনি বলেন, উনি আমাদের সঙ্গে কথা বলেন, খুবই ভালো লাগছে গোটা বিয়টি।”

ব্যস্ততার কারণে এবার ম্যাচের দিন মাঠে যেতে পারেননি অভিষেক বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়। তবে আগামী বছর থেকে দলের খেলা দেখতে মাঠে যাওয়ার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।

দলের কোচিং স্টাফদের সঙ্গে একটি বৈঠকও করেন অভিষেক। উপস্থিত ছিলেন ক্লাব সচিব মানস ভট্টাচার্য-সহ বাকি কর্তারাও। ছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী সঞ্জয় বসু। ক্লাবের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সকলের মতামত নেন অভিষেক। আগামী বছরেই আইএসএল খেলার জন্য বিড করা যায় কি না, জানতে চান সাংসদ। কোচিং স্টাফের সদস্যরা পরামর্শ দেন ধাপে ধাপে আইএসএলে পৌঁছতে। তার জন্য আই লিগ-সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় খেলে পরিচিতি বাড়িয়েই আইএসএলে অংশ নেওয়া উচিত বলে মনে করেন ক্লাবের কোচিং গ্রুপের সদস্যরা। আগামী মরশুমেই বিডিংয়ের মাধ্যমে আই লিগে দল নামানো যায় কি না, সেটাও ভেবে দেখবে অভিষেকের ক্লাব। যে কারণে বয়সভিত্তিক দল গড়ে পরিকাঠামো উন্নয়নেও জোর দেওয়া হবে। বাটা স্টেডিয়ামকে ফেন্সিং দিয়ে ঘিরে দেওয়ার পাশাপাশি নতুন ড্রেসিংরুমও তৈরি হবে।

আরও পড়ুন:খেতাব হাতছাড়া হলেও দলের খেলায় খুশি বাবর

 

Previous articleপাঁশকুড়ার পর ত্রিশক্তি, ফের তৃণমূলের জয়জয়কার সমবায় ভোটে