ভোটের আগে বড় ঘোষণা হাসিনা সরকারের, সংসদে পাশ সর্বজনীন পেনশন বিল

এর আগে শুধু সরকারি চাকরিজীবীরাই পেনশনের সুযোগসুবিধা পেতেন। দেশের বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতেই এমন পরিকল্পনা নেয় সরকার। তবে এর আগে আইন ও বিধি প্রণয়ন এবং তহবিল ব্যবস্থাপনার জন্য জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ গঠন করে সরকার।

সামনেই নির্বাচন (Election)। আর সেই নির্বাচনকে মাথায় রেখেই দেশবাসীর জন্য বড় উদ্যোগ শেখ হাসিনা (Seikh Hasina) সরকারের। এবার দেশের সব মানুষকে পেনশন স্কিমের (Pension Scheme) আওতায় আনার লক্ষ্যে ‘সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বিল-২০২২’ পাশ সংসদে। গত মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ‘সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বিল-২০২২’ পাসের প্রস্তাব করেন। পরে ধ্বনি ভোটে তা সংসদে পাস হয়। গত বছরের অগাস্ট মাসে পেনশন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় প্রস্তাব করে সংসদে পেনশন ব্যবস্থাপনা বিল তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। পরে তা অর্থ মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

এর আগে শুধু সরকারি চাকরিজীবীরাই পেনশনের সুযোগসুবিধা পেতেন। দেশের বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতেই এমন পরিকল্পনা নেয় সরকার। তবে এর আগে আইন ও বিধি প্রণয়ন এবং তহবিল ব্যবস্থাপনার জন্য জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ গঠন করে সরকার। অন্যদিকে পেনশন ব্যবস্থাপনার জন্য একজনকে চেয়ারম্যান করে ৫ সদস্যের জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। সরকারই তাঁদের নিয়োগ করবে। এছাড়া কার্যক্রম পরিচালনায় বিলে ১৬ সদস্যের একটি পরিচালনা পর্ষদ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।

১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সের সব নাগরিক সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীরাও এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। তবে প্রাথমিকভাবে এই পদ্ধতি বাধ্যতামূলক না থাকলেও পরবর্তী সময়ে তা করা হবে। এদিকে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীদের আপাতত নতুন জাতীয় পেনশন ব্যবস্থার বাইরে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে তাঁদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

 

 

 

Previous articleরেড রোডে সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপাল