Wednesday, March 18, 2026

এবার সুজন ঘনিষ্ঠ CPM নেতার নাম জড়াল চিরকুটে চাকরি কে*লেঙ্কারিতে! তদন্তের দাবি তৃণমূলের

Date:

Share post:

বাম জমানায় চিরকুটে চাকরি কে*লেঙ্কারি যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না সিপিএমের। আর এই কেলেঙ্কারিতে সবচেয়ে বেশি যাঁর নাম উঠে আসছে, তিনি সুজন চক্রবর্তী। প্রথমে সুজনবাবুর স্ত্রী মিলি চক্রবর্তীর কলেজে সুপারিশের চাকরির ঘটনা সামনে আসে। এরপর সুজনবাবুর প্রয়াত শ্বশুর শান্তিময় ভট্টাচার্য-এর একের পর এক কীর্তি ফাঁস। একসময়কার দোর্দন্ডপ্রতাপ সিপিএম নেতা শান্তিময়বাবু ”বেনামে” দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রাথমিক শিক্ষা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান থাকার সময় ঘুরপথে নিজের পরিবার থেকে শুরু ঘনিষ্ঠ হল হোলটাইমারদের পরিবারের লোকেদের যেভাবে চাকরি দিয়েছেন তা প্রকাশ্যে এসেছে। সিপিএম জমানায় সুজনবাবুর পরিবারের ১৪ জনের নামের তালিকা ভাইরাল হয়েছে।

এখানেই শেষ নয়। ফের অস্বতিতে সুজন চক্রবর্তী। এবার সুজনবাবুর ঘনিষ্ঠ এক CPM নেতার চিরকুটে চাকরি কেলেঙ্কারির পর্দা ফাঁস! রাজীব বিশ্বাস, কলকাতা পুরসভার ৩৩নং ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর, বিধানসভা ভোটেও কাস্তে-হাতুড়ি-তারা চিহ্ন নিয়ে ভোটে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এবং গোহার হেরেছিলেন। সুজন ঘনিষ্ঠ এহেন রাজীব বিশ্বাসের বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ এনেছে তৃণমূল।

একটি পেপার কাটিং তুলে ধরে তৃণমূলের যুবনেতা তথা মুখপাত্র মৃত্যুঞ্জয় পাল সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। তাঁর অভিযোগ, সুজন চক্রবর্তী ঘনিষ্ঠ রাজীব বিশ্বাস সিপিএম আমলে পরিবারের সকলকে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, রাজীবের বোন পূরবী দে বিশ্বাস মুর্শিদাবাদ জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক ছিলেন, এবং নিয়োগ দুর্নীতিতে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল সিআইডি।

বিষয়টি তুলে ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূল মুখপাত্র সুজন ঘনিষ্ঠ রাজীব বিশ্বাসকে নিশানা করে লিখছেন, “শুনলাম রাজীব বিশ্বাস বাগমাড়িতে এসে কিসব ভাষণ দিয়ে গেছে।রাজীব বাবু আস্তে। সবে আপনার বোন গ্রেপ্তার হয়েছে।
এই পূরবী দে বিশ্বাস রাজীব বিশ্বাসের বোন। রাজীব বিশ্বাস কলকাতার ৩৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন,বিধানসভা ভোটেও সিপিএম প্রার্থী ছিলেন। এর বউ অপর্না বিশ্বাস শিক্ষিকা হওড়ায়। রাজীব বিশ্বাসর ভায়রাভাই বিশ্বজিৎ বোস (বিচ্ছু) রেন্ট কন্ট্রোলে চাকরি করেন ২০০৬ সাল থেকে। যিনি নিজেও সিপিএমের LCM ছিলেন। এই পূরবী দে বিশ্বাস, সিপিএম এর সময়ই, DI মুর্শিদাবাদ, সেখানের হাজার হাজার চাকরি কিভাবে? আমরা জানি আপনি সুজনবাবুর কাছের লোক। অপেক্ষা করুন আপনার বাড়ির সামনে সভা হবে।”

তৃণমূল যুবনেতার এই পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই রাজীব বিশ্বাসের পরিবারের লোকেদের সিপিএম আমলে কিভাবে চাকরি হয়েছে, তার তদন্তের দাবি তোলা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, “তদন্ত চাই”!

আরও পড়ুন:শক্তিগড় থেকে ট্রেনে বরাকর হয়ে ঝাড়খণ্ডে পালায় আ.ততায়ীরা, রাজু খু.নে ভিনরাজ্য যোগ

 

 

spot_img

Related articles

ভোটের আগে অপসারিত ১৯ আইপিএস-কে নতুন দায়িত্ব, নির্দেশিকা জারি নবান্নর 

নির্বাচনের প্রাক্কালে অপসারিত ১৯ জন আইপিএস আধিকারিককে নতুন দায়িত্বে নিয়োগ করল নবান্ন। বুধবার এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে...

প্রথম তালিকা ঘোষণার পরে প্রচার-ময়দানে বাম-বিজেপিও

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যজুড়ে নির্বাচনী প্রচার তুঙ্গে। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই প্রচারে ঝাঁপিয়েছে...

ভোটের আগে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সিইও দফতরে 

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক প্রস্তুতি পর্যালোচনায় বুধবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে অনুষ্ঠিত হল উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। নির্বাচনকে...

ভোটের লড়াইয়ে মুখোমুখি ‘মা-ছেলে’, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে সম্পর্কের অগ্নিপরীক্ষা

একই পরিবারের সদস্যদের ভিন্ন রাজনৈতিক দলের হয়ে লড়াই করা নতুন নয় বঙ্গ রাজনীতিতে। কিন্তু সম্পর্ক যদি হয় মা-ছেলের...